পুলিশের উচ্চপদস্থ ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর
পুলিশের উচ্চপদস্থ ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর
পুলিশের উচ্চপদস্থ ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর
পুলিশের ১১ জন উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) এবং দুজন অতিরিক্ত ডিআইজিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার।
তৎকালীন চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের অবরুদ্ধ করার ঘটনায় বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর এবং ৫ জনের বেতন সর্বনিম্ন স্তরে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ পুলিশের আরও ১৭ জন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। তাদের বিরুদ্ধে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতি আনুগত্য, দলটির সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে ভোট কারসাজি, বিরোধী দলের ওপর দমন-পীড়ন এবং দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এই ১৭ জন
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় হামলাসহ ক্যাম্পাসে সংঘটিত নানা ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগ থাকা ১৯ শিক্ষক ও দুই কর্মকর্তার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেও পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ের অনেক কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।
৩২ জন যুগ্ম সচিবকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। তাঁরা ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে জেলা প্রশাসকসহ (ডিসি) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন।
পুলিশের ১১ ডিআইজি ও ২ অতিরিক্ত ডিআইজিকে বাধ্যতামূলক অবসর– এটা লিংক করবেন আর এটা থেকে ছবি দেবেন
জুলাই অভ্যুত্থানের পর মামলা, গ্রেপ্তার, পলাতক ও বাধ্যতামূলক অবসরের চাপে পুলিশ কর্মকর্তারা।
গত বছরের ৫ মার্চ বিএসইসির তৎকালীন চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ ও অন্যান্য কমিশনারদের অবরুদ্ধ করে রেখে নাজেহালের ঘটনায় মোট ২২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে বিএসইসি।
সরকারি চাকরি আইন ২০১৮-এর ৪৫ ধারায় জনস্বার্থে ৭ এএসপি ও ৪৯ পরিদর্শকসহ মোট ৫৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ৩২ যুগ্ম সচিবকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।