বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের কূটনৈতিক সমঝোতাগুলোকে বাস্তব ফলাফলে রূপ দিতে হবে
বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক এখন প্রচলিত উন্নয়ন সহযোগিতার সীমা ছাড়িয়ে ব্যাপকতর কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে।
বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক এখন প্রচলিত উন্নয়ন সহযোগিতার সীমা ছাড়িয়ে ব্যাপকতর কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে।
সুশাসন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিতে সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন কৌশলগত উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আলোচনা করেছেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।
বেইজিংয়ে বাংলাদেশ ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে দুই দেশ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া এবং সহযোগিতা বৃদ্ধির অঙ্গীকার করে। খলিলুর রহমান ‘এক চীন’ নীতির প্রতি প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। উভয় পক্ষ আন্তর্জাতিক ইস্যুতে মতবিনিময় করেন।
বেইজিংয়ের গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান চীন সফরের নগদ প্রাপ্তি নিয়ে প্রশ্নকে বিব্রতকর বলে আখ্যায়িত করেছেন।
বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক জোরদার করতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান চলতি মাসের শেষে বেইজিং যাচ্ছেন। চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আজ সাক্ষাতে সফরের আলোচনা হয়েছে। এর আগে পররাষ্ট্রসচিবদের বৈঠক স্থগিত হয়েছে।
বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয়, জানাল বেইজিং।