যখন হৃদয় বসন্তের সঙ্গে জেগে ওঠে
বসন্ত মানেই মনকে স্পন্দিত করা এবং সুন্দরের পানে এক অনিবার্য আহ্বান। এই ঋতুতে প্রকৃতি ও মানবিক আবেগের অপূর্ব মিলন ঘটে।
বসন্ত মানেই মনকে স্পন্দিত করা এবং সুন্দরের পানে এক অনিবার্য আহ্বান। এই ঋতুতে প্রকৃতি ও মানবিক আবেগের অপূর্ব মিলন ঘটে।
মৌলভীবাজারের কাউয়াদীঘি হাওরপারের গ্রামগুলোর গাছে গাছে এখন বসন্ত বাতাস লেগেছে। গাছে গাছে ফুল ও পাতায় উছলে পড়ছে বসন্তের ঢেউ।
পার্সেফোনির ছিলেন বসন্ত, তারুণ্য এবং নতুন জীবনের প্রতীক। তার স্বভাব ছিল কোমল, দয়ালু ও কৌতূহলী। দিনের বেশির ভাগ সময় তিনি সবুজ ঘাসে ঢাকা প্রান্তরে ঘুরে বেড়াতেন, নানা রঙের ফুল তুলতেন এবং তাঁর সঙ্গীদের সঙ্গে হাসি-আনন্দে সময় কাটাতেন।
শীত শেষে তেমন কোনো কারণ ছাড়াই ক্লান্তি বা শক্তিহীনতায় ভুগতে পারেন কেউ কেউ। কারও কারও অতিরিক্ত ঘুম পায়। একে বলে ‘সিজনাল ফেটিগ’ বা ঋতু পরিবর্তনের ক্লান্তি।
মৌলভীবাজারে অবস্থিত বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয় এলাকায় নিভৃত বনের ভেতর প্রচুর পলাশ ফুল ফুটছে।
রাস্তার দুই ধারে দ্যুতি ছড়াচ্ছে টুকটুকে লাল পলাশ। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, গাছের শাখায় যেন আগুন জ্বলছে। বসন্তের হাওয়া লাগতেই রাজশাহী নগরের এক সড়কজুড়ে ফুটেছে এই ফুল।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মিয়ার বাজার এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় আগুনরাঙা পলাশের আবেদন দূর থেকেই চোখে পড়ে।
শনিবার পয়লা ফাল্গুন গেল। বেরিয়েছিলাম বিকেলের দিকে শহর ঘুরতে। তবে যাওয়ার মূল লক্ষ্য ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা।
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নের ভুজবল গ্রামের ‘গোঁসাই বাড়ি’ পলাশগাছে ঢাকা। বসন্তে রঙের আগুন লাগে বাড়িটিতে।
দেশীয় শাড়ি ও সাজপোশাকেই ভালোবাসা দিবস ও ফাল্গুন উদ্যাপন করবেন টয়া–শাওন দম্পতি। ফেব্রুয়ারি মাস এই দম্পতির জীবনে আরও একটি কারণে বিশেষ।