আব্বা নায়ক হতে চেয়েছিলেন: ফেরদৌসী রহমান
ফেরদৌসী রহমান বললেন, দুই বছর কি আড়াই বছর হবে আমার। ঘুম পেলে আমি মায়ের কাছে গিয়ে ‘আঁখি পাতা ঘুমে জড়ায়ে আসে’ গানটা গাইতাম।
ফেরদৌসী রহমান বললেন, দুই বছর কি আড়াই বছর হবে আমার। ঘুম পেলে আমি মায়ের কাছে গিয়ে ‘আঁখি পাতা ঘুমে জড়ায়ে আসে’ গানটা গাইতাম।
সংগীতের ক্ষেত্রে মাহবুবা আপা সব ধরনের গানই মোটামুটি ভালো গাইতেন। কারণ, ভালো শিল্পীরা সাধারণত সব ধারার গানেই পারদর্শী হন। তবে আমার স্মৃতিতে তাঁর কণ্ঠের লোকসংগীত বা ‘ফোক’ ধাঁচের গানগুলোই বেশি উজ্জ্বল হয়ে আছে।
রাজধানীর ধানমন্ডির বেঙ্গল শিল্পালয়ে হয়ে গেল বাংলা গানের কিংবদন্তি শিল্পী ফেরদৌসী রহমানের আত্মজীবনী গ্রন্থ ‘লোকে বলে প্রেম, আমি বলি জ্বালা’–এর প্রকাশনা অনুষ্ঠান।
দেশের প্রথিতযশা সংগীতশিল্পী ফেরদৌসী রহমানের বাবা বাংলা গানের কিংবদন্তি আব্বাসউদ্দীন আহমদ। বাবাকেই তিনি তাঁর জীবনের গুরু মানেন। তিনিই তাঁর ওস্তাদ, স্বপ্নদ্রষ্টা ও পথপ্রদর্শক।
পল্লিগীতির সম্রাটখ্যাত আব্বাসউদ্দীন আহমদের কন্যা হিসেবে সংগীতের আবহেই তাঁর বেড়ে ওঠা। তবে তাঁর জীবন শুধু সংগীতের সাফল্যে নয়, শিক্ষাজীবনের কৃতিত্বেও সমানভাবে উজ্জ্বল।
১৯৪১ সালের ২৮ জুন। বাংলায় আষাঢ় মাস। লুৎফুন্নেসা আব্বাসের কোলজুড়ে এল এক ছোট্ট কন্যাশিশু।