বাংলাদেশে প্রজনন হার বৃদ্ধি: উদ্বেগে বিশেষজ্ঞরা
ইউনিসেফ ও বিবিএস-এর জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট প্রজনন হার ২.৩ থেকে বেড়ে ২.৪ হয়েছে, যা ২০৩৬ সালের মধ্যে অতিরিক্ত ৯৬ লাখ জনসংখ্যা বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি করেছে।
ইউনিসেফ ও বিবিএস-এর জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট প্রজনন হার ২.৩ থেকে বেড়ে ২.৪ হয়েছে, যা ২০৩৬ সালের মধ্যে অতিরিক্ত ৯৬ লাখ জনসংখ্যা বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি করেছে।
প্রতি ১০ জন মা মোট ২৩ জন সন্তানের জন্ম দিতেন। আর এখন সেই সংখ্যাটা হয়েছে ২৪।
এপস্টিন কখনো সন্তানের বাবা হয়েছিলেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন বা আইভিএফ পদ্ধতিতে নারীর ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিতে শুক্রাণুর সঙ্গে নিষিক্ত করা হয় এবং পরবর্তীতে তা মাতৃগর্ভে প্রতিস্থাপন করা হয়।
কোনো দম্পতি যদি এক বছর নিয়মিত অনিরাপদ যৌনসম্পর্কের পরও সন্তান ধারণ করতে না পারেন, তাহলে ইনফার্টিলিটি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
আইইউআই বন্ধ্যত্বের সহজ ও কম খরচের চিকিৎসা, যা প্রাথমিক পর্যায়ের সমস্যায় কার্যকর। এর পূর্বশর্ত, প্রযোজ্যতা এবং প্রক্রিয়া জানুন ডা. শাহীনা বেগমের বর্ণনায়। সাফল্যের হার ১৫-২০ শতাংশ।
অনেকেই এখন আমাদের কাছে আসেন, যাঁদের বয়স চল্লিশ বা তার কাছাকাছি। এই সময়ে এসে তাঁরা জানতে চান, সন্তান ধারণের সম্ভাবনা কতটুকু।
যুক্তরাজ্যের গবেষণায় দেখা গেছে, ১২-১৩ বছর বয়সে টিকা নেওয়া কিশোরীদের ক্ষেত্রে ৩০ বছরের মধ্যে জরায়ুমুখ ক্যানসারে মৃত্যুর হার প্রায় শূন্য। বাংলাদেশেও এখন সরকারিভাবে এই টিকাদান কর্মসূচি চালু হয়েছে।
বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো নাইজেরিয়ায় হ্যাচিং এগ (ডিম ফুটিয়ে বাচ্চা উৎপাদনের উপযোগী ডিম) রপ্তানি কার্যক্রমের উদ্বোধন।
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননকেন্দ্র কোথায়? উত্তর: হালদা নদীতে।
ভারতে প্রজননহার স্থিতিশীল মাত্রার নিচে নেমে আসায় শ্রমসংকটের আশঙ্কা বাড়ছে।
অনেকে মনে করেন যে গোসল করলে রক্তক্ষরণ বেড়ে যায়, শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। অথচ এ সময় নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা অত্যন্ত জরুরি।