
ইরান যুদ্ধে ‘নিরপেক্ষ’ থাকায় চিন পিং ও পুতিনকে ধন্যবাদ ট্রাম্পের
ট্রাম্পের মুখে চীন ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের প্রশংসা অনেককে অবাক করেছে।

ট্রাম্পের মুখে চীন ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের প্রশংসা অনেককে অবাক করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর জন্মদিনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন।

সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ যখন প্রায়ই ইউরোপকে পারমাণবিক অস্ত্র দিয়ে হুমকি দেন, তখন সেই চূড়ান্ত উন্মাদনাকে পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

পুতিন ও ট্রাম্প এগিয়ে চলেছেন। তাঁরা ইউক্রেন বা ইরানে ব্যর্থতা স্বীকার করতে পারছেন না, আবার বিজয়ের পথও খুঁজে পাচ্ছেন না। এই ‘অন্তহীন যুদ্ধের’ মূল্য প্রতি মাসে বাড়ছে। আর ইতিমধ্যে মস্কো ও ওয়াশিংটন ডিসিতে রাজনৈতিক বিদ্রোহের সূচনা দেখা যাচ্ছে।

কয়েক সপ্তাহ ধরে ইউক্রেনের হামলা তীব্র হওয়ার পর গতকাল শুক্রবার এমন মন্তব্য করেছেন পুতিন।

পুতিন পাকিস্তানকে এমন একটি জানালা হিসেবে দেখছেন, যার মাধ্যমে তিনি ওয়াশিংটনের সঙ্গে যোগাযোগ ও বার্তা আদান-প্রদান করতে পারেন।

গত বৃহস্পতিবার জেলেনস্কি পুতিনের উদ্দেশে একটি খোলা চিঠি লিখেছেন।

পুতিন রাষ্ট্র ও সমাজকে এমন এক যুদ্ধের ময়দানে এনে দাঁড় করিয়েছেন, যা ধীরে ধীরে রাশিয়ার শক্তি, সম্পদ ও তরুণদের জীবন ক্ষয় করছে।

রুশ প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র বলেছেন, জেলেনস্কির ওই চিঠির কথা জানেন পুতিন।

তরুণ বয়সে সোভিয়েত ইউনিয়নের জনপ্রিয় টেলিভিশন সিরিজ ও চলচ্চিত্রের গুপ্তচর নায়কেরা পুতিনের আদর্শ ছিলেন।

পশ্চিমা গণমাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরেই পুতিনের ঘনিষ্ঠ বলয়ের ভেতর থেকে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী উঠে আসার জল্পনা রয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত তেমন কোনো মুখ সামনে আসেনি।

চীনে দুই বিশ্বনেতার অভ্যর্থনায় বাহ্যিক মিল থাকলেও কিছু সূক্ষ্ম পার্থক্য ছিল চোখে পড়ার মতো।