
অধিদপ্তর সূত্র জানায়, মৌসুমি বায়ু এখনো তেমন সক্রিয় নয়। অথচ মাসের প্রথম সপ্তাহের শেষ দিকে এ বায়ু প্রবেশ করেছে বাংলাদেশ।
রাজধানীর তাপমাত্রা গতকালের চেয়ে আজ খানিকটা কম থাকলেও গরমের অনুভূতি ছিল গতকালের মতোই। তবে বিকেলের বৃষ্টি সেই তাপ অনেকটাই কমিয়ে দেয়।

রাজধানীর তাপমাত্রা গতকালের চেয়ে আজ খানিকটা কম থাকলেও গরমের অনুভূতি ছিল গতকালের মতোই। তবে বিকেলের বৃষ্টি সেই তাপ অনেকটাই কমিয়ে দেয়।

দেশের দুই বিভাগে ভারী বৃষ্টির সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল দুই দিন আগেই। এর মধ্যে ছিল সিলেট ও ময়মনসিংহ।

নাজমুল ইসলাম জানান, দুপুরের দিকে রাজধানীর তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃষ্টির পর সন্ধ্যা ছয়টার দিকে তাপমাত্রা হয় ২৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

বন বিভাগের জরিপে চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে ৫ হাজার ৫২০টি মা গাছ মিলেছে, তবে সংকটে বহু দেশীয় প্রজাতি।

আগামী দুই থেকে তিন দিন তাপমাত্রা মোটামুটি স্বাভাবিক থাকতে পারে। এ সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হতে পারে।

দেশে গতকাল বুধবার ৪৮ জেলায় তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে।

মে মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে ৭ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়। সবচেয়ে বেশি প্রায় ৯৯ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে রংপুর বিভাগে।

ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ময়মনসিংহের ভালুকা বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে।

আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, আজ তাপমাত্রা বেশ খানিকটা বেড়েছে। এ অবস্থা চলতে থাকবে আগামী চার থেকে পাঁচ দিন। বৃহস্পতিবার থেকে তাপমাত্রা কমতে শুরু করতে পারে।

সাত এলাকার নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কসংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে মাঝারি থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

দেশের ১৩ জেলায় তাপপ্রবাহ চলছে, যা দু-একদিন অব্যাহত থাকতে পারে। আগামীকাল রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। যশোরে সর্বোচ্চ ৩৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে।

রাজধানীতে সোমবার ৩ ঘণ্টায় ২৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হওয়ায় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমেছে। আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবীর জানান, মঙ্গলবার বৃষ্টি কমলেও বুধবার থেকে রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেটে বৃষ্টি বাড়তে পারে। এর প্রভাব ঢাকায়ও পড়তে পারে।