নেতানিয়াহু নির্মমভাবে হেরে গেছেন, এখন তাঁকে সরে দাঁড়াতেই হবে
যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য যুদ্ধ থামানোর জন্য গত সপ্তাহে যে প্রাথমিক চুক্তি হয়েছে, তাতে সবচেয়ে বড় পরাজিত পক্ষ বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য যুদ্ধ থামানোর জন্য গত সপ্তাহে যে প্রাথমিক চুক্তি হয়েছে, তাতে সবচেয়ে বড় পরাজিত পক্ষ বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ওপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারেন না। তিনি শক্তি প্রয়োগ, উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং কৃত্রিম সংকট তৈরির মাধ্যমে এমন বাস্তবতাকে চূর্ণবিচূর্ণ করার চেষ্টা করেন। নিজের টিকে থাকার লড়াইয়ে যুদ্ধই তাঁর একমাত্র কৌশলগত হাতিয়ার।
এ বিষয়ে ইসরায়েল সরকার এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি।
নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারে মামদানির ঘোষণাকে পুঁজি করে ট্রাম্প ডেমোক্রেটিক পার্টির বিভক্তি বাড়াতে চাইছেন।
ইসরায়েলিদের ৩৩ শতাংশ দেশটির পরবর্তী নির্বাচনে নেতানিয়াহুর অংশ নেওয়াকে সমর্থন করছেন।
লেবাননে ক্রমবর্ধমান হামলা চালানোর জন্য ট্রাম্প ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর তীব্র সমালোচনা করেন।
আইসিসি থেকে হাঙ্গেরিকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তটি আগামী ২ জুন কার্যকর হওয়ার কথা ছিল।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশের পর পাল্টা হামলার বিষয়ে দোটানায় পড়েন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
গত ২৮ জুলাই প্রকাশিত দ্য ইকোনমিস্ট/ইউগভ-এর সেই জরিপে দেখা গেছে, ৪৯ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা অনুযায়ী ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা উচিত।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, সব ইহুদি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ওপর বিরক্ত।
লেবাননে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ায় নেতানিয়াহুর ওপর বিরক্ত ট্রাম্প।
মধ্যপ্রাচ্যে আসন্ন সংঘাতের বিষয়ে শেখ হামাদ গত বছরই সতর্ক করেছিলেন