নিপাহ ভাইরাস এসেছে নতুন তিন বিপদ নিয়ে, দুই বছরে আক্রান্ত শতভাগ রোগীর মৃত্যু
নিপাহ ভাইরাস রোধে খেজুরের রস বিক্রি বন্ধ করা দরকার। এ নিয়ে কঠোর আইনের দরকার।
নিপাহ ভাইরাস রোধে খেজুরের রস বিক্রি বন্ধ করা দরকার। এ নিয়ে কঠোর আইনের দরকার।
নিপাহ ভাইরাস এসেছে নতুন তিন বিপদ নিয়ে
শীতের তীব্রতা জনজীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছে। ঠান্ডাজনিত রোগে অনেক মানুষ হাসপাতালে ভর্তি, অনেকে মারাও গেছেন।
নিপাহ ভাইরাসের প্রধান বাহক হলো ‘টেরোপাস’ প্রজাতির ফলাহারি বাদুড়। খেজুরের কাঁচা রস মানুষ পান করলে সরাসরি ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।
চলতি মাসের শুরুতে পশ্চিমবঙ্গে পাঁচজন স্বাস্থ্যকর্মী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হন।
নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ একধরনের জুনোটিক ডিজিজ। জুনোটিক ডিজিজ মানে যা প্রাণীর দেহ থেকে মানব শরীরে সংক্রমিত হয়।
নিপাহ ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো অ্যান্টিভাইরাল থেরাপি এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশি গবেষক ডা. জাকিউল হাসানের চেভেনিং স্কলারশিপ প্রাপ্তির অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে এ নিবন্ধে
বাংলাদেশে নিপাহ ভাইরাস এখন আর কেবল একটি মৌসুমি রোগ নয়; বরং এটি এক ভয়াবহ ও অপ্রতিরোধ্য প্রাণঘাতী সংকটে রূপ নিয়েছে।
বছরের এই সময় নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
২০২৬ সালের বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসে ডব্লিউএইচও ‘বিজ্ঞানকে সঙ্গে নিয়ে, স্বাস্থ্য সুরক্ষায় একাত্মতা’ প্রতিপাদ্য ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাণিবাহিত রোগ যেমন বার্ড ফ্লু, নিপাহের প্রকোপ বাড়ছে। ‘ওয়ান হেলথ’ পদ্ধতিতে সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে এই ঝুঁকি মোকাবিলা করতে হবে।