
সত্যিই কি ‘কান্নার লোক’ ভাড়া করেছিলেন ইমতিয়াজ আলী
১২ জুন মুক্তি পেয়েছে ইমতিয়াজ আলী পরিচালিত ‘ম্যায় বাপাস আউঙ্গা’ সিনেমা। ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পটভূমিতে নির্মিত হয়েছে ছবিটি।

১২ জুন মুক্তি পেয়েছে ইমতিয়াজ আলী পরিচালিত ‘ম্যায় বাপাস আউঙ্গা’ সিনেমা। ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পটভূমিতে নির্মিত হয়েছে ছবিটি।

দেশভাগের কয়েক বছর পর ভারত ও পাকিস্তান সরকার সিদ্ধান্ত নেয়, শুধু সাধারণ বন্দী নয়, মানসিক হাসপাতালে থাকা রোগীদেরও দুই দেশের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে।

সাদাত হাসান মান্টো উর্দু সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গল্পকার। দেশভাগের রক্তাক্ত বাস্তবতা, দাঙ্গার উন্মাদনা, নারীর অসহায়তা, যৌনকর্মীদের বঞ্চিত জীবন, মানুষের ভেতরের নিষ্ঠুরতা এবং সমাজের প্রান্তিক মানুষের দুঃখ—এসব অন্ধকার বাস্তবতাকে তিনি কোনো ভণিতা বা রাখঢাক ছাড়াই সাহিত্যে তুলে এনেছেন।

দেশভাগ, ভাষা, অভিবাসন, নদী, শ্রম, আত্মীয়তা, স্মৃতি ও শোক—এই সবকিছুর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ বরাবরই পশ্চিমবঙ্গের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

দেশভাগের পর দলে দলে চলে আসা ছিন্নমূল শরণার্থীদের যাঁরা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়ার রানাঘাটে চলে এসেছিলেন, এই কুপার্স ক্যাম্প হয়ে উঠেছিল তাঁদের ঠিকানা।

দিনাজপুর গোর-এ-শহীদ ঈদগাহ মাঠের আয়তন ২২ একর। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর থেকে ছোট পরিসরে এখানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

চা-শ্রমিক ভীম রুদ্রপাল ব্রিটিশ আমলে জীবিকার তাগিদে পরিবার নিয়ে এ দেশে আসেন। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের আগে তিনি মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার বিনন্দপুরে জমি কেনেন। সেই থেকে পরিবারের সবাই একান্নে থাকা শুরু করেন। এখনো সেই ধারাটি টিকে আছে।

‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ ও শিখা গোষ্ঠীর নায়কদের মধ্যে আপনিই একমাত্র আমার স্বচক্ষে দেখা মানুষ। দেখেছি দেশভাগের পরে, ১৯৫০-এর দশকে।