
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির খবরে বিশ্ববাজারে আরও কমল জ্বালানি তেলের দাম
বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজারেও ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে।

বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজারেও ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির খবরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে।

বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, জনগণ যখন ঘুমিয়ে যান, তখন তেলের দাম বাড়ানো হচ্ছে। এক মাসের ব্যবধানে আবার পাঁচ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এটা জনগণের ওপর জুলুম।

জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়ল

বিশ্ববাজারে তেলের দাম ও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা। তবে বৃহস্পতিবার দিনভর তেলের দাম ওঠানামা করেছে। আজ শুক্রবার সকালে দাম আরও কমেছে।

মার্কিন হামলার পরপরই বিশ্ববাজারে তেলের মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেড়েছে।

এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, সম্ভাব্য চুক্তির অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া হবে। যদিও এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।

ভারতে পেট্রল ও ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে ৯০ পয়সা করে বেড়েছে।

ফার্নেস তেলের দাম লিটারে ১৮ দশমিক ৮৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১১৩ দশমিক ৫৪ টাকা হয়েছে, বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ বাড়বে।

সোমবার সকালে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ২ দশমিক শূন্য ৩ ডলার বা ১ দশমিক ৮৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ১১১ দশমিক ২৯ ডলার।

ইরানের যুদ্ধবিরতির জবাব ট্রাম্পকে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়েছে, ফলে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৩.৮% বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৫.২০ ডলারে পৌঁছেছে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় তেল সরবরাহ ব্যাহত, জ্বালানি কোম্পানিগুলোর মুনাফা বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এখন তেল রপ্তানিকারক হয়েছে।

ইরান যুদ্ধে শান্তি আলোচনার অনিশ্চয়তায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড প্রতি ব্যারেল ১০৪.৫০ ডলারে পৌঁছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা স্থবির হওয়ায় হরমুজ প্রণালির উদ্বেগ বেড়েছে।