
গ্রিনল্যান্ডের অন্দরেও ট্রাম্পশিবিরের কৌশলী তৎপরতা, হিতে বিপরীত হওয়ার আশঙ্কা
গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন প্রভাব বিস্তারে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের মিত্ররা।

গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন প্রভাব বিস্তারে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের মিত্ররা।

গ্রিনল্যান্ডের বরফ স্তরের গভীরে ড্রিলিং বা ছিদ্র করে বিজ্ঞানীরা এর অতীত এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্কে এক চমকপ্রদ তথ্য খুঁজে পেয়েছেন।

ট্রাম্প যেকোনো মূল্যে গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিতে চান। প্রয়োজনে সামরিক শক্তি প্রয়োগের হুমকিও দিয়েছেন।

ট্রাম্প বলেছিলেন, গ্রিনল্যান্ডের মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দিতে সেখানে একটি হাসপাতাল জাহাজ পাঠাচ্ছেন।

মার্কিন নৌবাহিনীর কাছে দুটি হাসপাতাল জাহাজ আছে।

বাস্তবে গ্রিনল্যান্ডে বড় ধরনের কোনো চীনা বিনিয়োগ নেই। অবকাঠামো কিংবা খনিশিল্পে চীনা কোম্পানিগুলোর কার্যকর অংশগ্রহণ দেখা যায়নি।

গ্রিনল্যান্ডের বরফ কেবল তাপমাত্রা বাড়ার কারণে নয়, বাতাসের সঙ্গে ভেসে আসা ক্ষুদ্র ধূলিকণার কারণেও দ্রুত গলে যাচ্ছে।

ট্রাম্পের যুক্তি হলো, গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের শক্ত উপস্থিতি না থাকলে চীন ও রাশিয়া সেখানে প্রভাব বিস্তার করবে। এতে আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়বে।

তীব্র আবহাওয়ায় বিদ্যুতের তার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে এ ধরনের সমস্যা দেখা দেয়।

গ্রিনল্যান্ডের প্রতিরক্ষা নিশ্চিতে ভবিষ্যৎ চুক্তির ‘কাঠামো’ গুছিয়ে আনার দাবি করেছেন ট্রাম্প।

সাত মহাদেশের শতাধিক দেশ ভ্রমণ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বাংলাদেশি দম্পতি শাহারিয়াত শারমীন ও রেজাউল বাহার। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে গিয়েছিলেন গ্রিনল্যান্ডে।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গতকাল বুধবার বলেন, গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা কার হাতে থাকবে, তা রাশিয়ার চিন্তার বিষয় নয়।