
বিদ্যুৎ, জ্বালানির ‘অযৌক্তিক’ বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি
বিদ্যুৎ, জ্বালানি তেল ও গ্যাসের বর্ধিত মূল্যকে ‘অযৌক্তিক’ উল্লেখ করে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন (এনপিএ)।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি তেল ও গ্যাসের বর্ধিত মূল্যকে ‘অযৌক্তিক’ উল্লেখ করে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন (এনপিএ)।

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় জ্বালানি ও সারে ভর্তুকি বেড়েছে, যা জাতীয় অর্থনীতির জন্য চাপ তৈরি করছে।

বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে দরপত্র আহ্বান করেছে সরকার।

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় পাইপলাইনের মাধ্যমে পুরোদমে জ্বালানি তেল সরবরাহ জুন মাসের শেষে শুরু হবে।

ইরান যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালী বন্ধে পারস্য উপসাগরের তেল-গ্যাস রপ্তানি স্তব্ধ। যুক্তরাষ্ট্র এর সুযোগ নিয়ে রেকর্ড রপ্তানি ও মুনাফা করছে। এল পাইসের প্রতিবেদনে ফ্র্যাকিং প্রযুক্তি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিস্তারিত।

আজকের লড়াইটা কেবল সম্পদের নয়, প্রবাহের ওপর নিয়ন্ত্রণের। আর এই লড়াইকেই বলা যায় ‘রুট–যুদ্ধ’। এই যুদ্ধের কোনো দৃশ্যমান যুদ্ধক্ষেত্র নেই। কিন্তু প্রতিটি চুক্তি, প্রতিটি পাইপলাইন প্রকল্প, প্রতিটি রুট পরিবর্তনের মধ্যে লুকিয়ে থাকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা। এখানে রাষ্ট্রগুলো এমনভাবে জ্বালানি করিডর তৈরি করতে চায়, যাতে তাদের প্রভাব বাড়ে, প্রতিপক্ষের বিকল্প কমে এবং ভবিষ্যতের বাজার তাদের নিয়ন্ত্রণে আসে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি যারা লাভবান হচ্ছে, তাদের মধ্যে আছে যুক্তরাষ্ট্রের তেল ও গ্যাস উৎপাদকেরা; তারা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ‘অস্বাভাবিক মুনাফা’ করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারে তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ উভয়ই কমে গেছে।

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছেন, এলপিজি সিলিন্ডারের সরকার–নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৯৪০ টাকা হলেও ২ হাজার ২০০ টাকা নিচে সিলিন্ডার পাওয়া যায় না।

দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি হলো টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো।

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে তেলের বাজারে যে ধাক্কা লেগেছে, তাতে এশিয়ার অনেক দেশের নাজেহাল অবস্থা।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল, গ্যাস ও সারের দাম বেড়ে গেছে। ঋণের খোঁজ করতে ইআরডিকে চিঠি অর্থ মন্ত্রণালয়ের।