বরিশালে এবার গরুর দাম বেশি, বিক্রি তুলনামূলক কম হওয়ায় হতাশা
গত বছরের তুলনায় এবার গরুর দাম ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত বেশি হাঁকা হচ্ছে।
গত বছরের তুলনায় এবার গরুর দাম ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত বেশি হাঁকা হচ্ছে।
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় ৩২ মণ ওজনের ‘জমিদার’ নামের একটি ষাঁড়কে দেখতে ভিড় জমছে স্থানীয় মানুষের। মালিক দম্পতি এবারের ঈদুল আজহায় গরুটির দাম হেঁকেছেন ১৩ লাখ টাকা।
যুক্তরাষ্ট্রে গরুর মাংসের দাম রেকর্ড উচ্চতায় উঠলেও খামারি, ফিডলট, মাংস প্রক্রিয়াজাতকারী ও রেস্তোরাঁ—কেউই বাড়তি মুনাফা পাচ্ছে না। কেন এমন হচ্ছে।
রোজা আসতে না আসতেই রাজশাহীতে গরুর মাংসের দাম কেজিতে ৩০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ইতিমধ্যে বাড়তি দামের সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিয়েছেন বিক্রেতারা।
আজ সোমবার সকালে কারওয়ান বাজারের কিচেন মার্কেটে ইসলামিয়া শান্তি সমিতির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীরা।
ঢাকায় ২২ লাখের ‘কালা মানিক’, খাসি ‘ফ্রি’
সরকার নির্ধারিত দাম অনুযায়ী বড় আকারের গরুর চামড়ার দাম দাঁড়ায় ১,২০০ টাকা। কিন্তু ঢাকায় এই ধরনের চামড়া বিক্রি হয়েছে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায়।
বিবিরহাট ও সাগরিকা পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, এবার গরুর তুলনায় ছাগলের খোঁয়াড়ে ভিড় বেশি। বিশেষ করে ছোট পরিবার ও মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের আগ্রহ চোখে পড়েছে। তবে দাম নিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের বক্তব্যে মিল নেই। ক্রেতাদের অভিযোগ, গত বছরের তুলনায় ছাগলের দাম কিছুটা বেড়েছে। অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, শেষ দিনে এসে উল্টো কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
চেয়ারেই বসে হিসাব কষছিলেন আবদুল আজিজ। কথা বলতে বলতেই জানালেন, এবার গরুর দাম গত বছরের তুলনায় কিছুটা বেশি। কারণও ব্যাখ্যা করলেন তিনি।
চট্টগ্রামের বাজারগুলোতে রোজা সামনে রেখে গরুর মাংসের দাম বেড়েছে
কোরবানির ঈদ সামনে রেখে পাবনার বেড়া ও সাঁথিয়ার পশুর হাটে জমে উঠেছে বেচাকেনা। গোখাদ্যের খরচ বাড়লেও এবার গরুর চাহিদা ও দাম বেশি থাকায় কয়েক বছর পর ভালো লাভ পেয়েছেন খামারিরা।
চট্টগ্রামের অনেক মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীর মুখে এবার একই ধরনের হতাশা। গত ঈদে মৌসুমি বিক্রেতারা প্রত্যাশিত দাম পাননি। কেউ গরুর চামড়া কেনা দামের অর্ধেকেরও কমে বিক্রি করতে বাধ্য হন। আবার কেউ শেষ পর্যন্ত কোনো ক্রেতাই পাননি।