
গণমাধ্যম কমিশন হবে ফ্যাসিবাদ-উত্তর বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান: তথ্যমন্ত্রী
সাংবাদিকদের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার, জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী।

সাংবাদিকদের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার, জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী।

কমিশনকে হতে হবে সরকারের নিয়ন্ত্রণমুক্ত এবং প্রকৃত অর্থেই স্বাধীন একটি প্রতিষ্ঠান। এটি মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকলে লাভ হবে না।

বাংলাদেশের গণমাধ্যমের সবচেয়ে বড় সংকট নিয়ন্ত্রণের অভাব নয়, বরং সংকট হলো আস্থা, স্বচ্ছতা, পেশাগত নিরাপত্তা এবং জবাবদিহিমূলক প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর অভাব।

ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকারের কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে জহির উদ্দিন স্বপন এ কথা জানান।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জানান, একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে সরকার উদ্যোগ নিচ্ছে।

গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার ১০ মাসেও কোনো সুপারিশ বাস্তবায়ন করা হয়নি।

জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের রূপরেখা প্রণয়নে ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত কর্মশালায় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের অংশগ্রহণ ও বক্তব্য।

অন্তর্বর্তী সরকার হঠাৎ করে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন ও সম্প্রচার কমিশন অধ্যাদেশের দুটি খসড়া প্রকাশ করা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে আর্টিকেল নাইনটিন।

বাংলাদেশ এখন গণমাধ্যম পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। প্রস্তাবিত সম্প্রচার অধ্যাদেশ ২০২৬ এবং জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৬ সেই বাস্তবতাকেই সামনে এনেছে।

তাড়াহুড়া করে গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ উপেক্ষা করে আলাদা দুটি কমিশন গঠনের উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদের একেবারে শেষ প্রান্তে এসে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন গঠনের উদ্যোগ।

গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ বলেছেন, কমিশন প্রতিবেদন দেওয়ার পর বাংলাদেশের যতজন সাংবাদিক যত জায়গায় লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন, আক্রমণের শিকার হয়েছেন, তার সম্পূর্ণ দায়দায়িত্ব অন্তর্বর্তী সরকারের।