
গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় আইনের অগণতান্ত্রিক ধারা বাতিলের দাবি
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদের নেতারা।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদের নেতারা।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, ব্যবসা-রাজনীতির যোগসাজশ সুশাসনের পাশাপাশি গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ব্যবসায়ীদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণে সমস্যা নেই, তবে এটি রাজনৈতিক প্রভাবের হাতিয়ার হলে ঝুঁকি বাড়ে। ‘বাংলাদেশ জার্নালিজম কনফারেন্স ২০২৬’-এ তিনি এই মতামত জানান।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী জানিয়েছেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করতে মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

বিশ্বজুড়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা গত ২৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর।

মানবাধিকার ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সুরক্ষার ‘জরুরি চ্যালেঞ্জগুলো’ মনে করিয়ে দিয়ে তা মোকাবিলায় পদক্ষেপ নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, সিপিজেসহ ৯টি আন্তর্জাতিক সংগঠন।

দঙ্গলবাজিকে উৎসাহিত করা হলে, পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া হলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে চিন্তার আর অবকাশ থাকবে না বলে সতর্ক করেছেন গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ।

‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর ছয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে করা সব মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে সিপিজে।

সাংবাদিকদের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার, জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতার কথা বলতে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই বহু মতের সহাবস্থানের প্রশ্ন আসে।

দ্য ডিসেন্টের লেখাটি তীক্ষ্ণ, রাজনৈতিকভাবে আকর্ষণীয় এবং কিছু ক্ষেত্রে সংবাদ শিরোনামের ভাষা নিয়ে জরুরি অস্বস্তি তৈরি করে। কিন্তু ফ্রেমিং বিশ্লেষণ হিসেবে এটি দুর্বল।

কমিশনকে হতে হবে সরকারের নিয়ন্ত্রণমুক্ত এবং প্রকৃত অর্থেই স্বাধীন একটি প্রতিষ্ঠান। এটি মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকলে লাভ হবে না।