
এই বাজেট গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা: মাহদী আমিন
মাহদী আমিন বলেছেন, বাজেটে বিভিন্ন খাতে কর কমিয়ে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন এবং বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

মাহদী আমিন বলেছেন, বাজেটে বিভিন্ন খাতে কর কমিয়ে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন এবং বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

রাজশাহীর চারঘাটে কৃষক হানিফ মণ্ডলের বাগানে দেশি-বিদেশি ৩২ জাতের আমের সমাহার। লাল, বেগুনি ও হলুদ রঙের বিরল আম দেখতে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। দেরিতে পাকা আম ও নিরাপদ উৎপাদন প্রযুক্তি নিয়ে তাঁর উদ্যোগ তৈরি করেছে নতুন সম্ভাবনা।

সৌরচালিত সেচব্যবস্থা বর্তমানে দেশের মোট সেচকৃত জমির ১ শতাংশের মতো। বাকিটা এখনো ডিজেলচালিত ও গ্রিড-সংযুক্ত বৈদ্যুতিক পাম্পের ওপর নির্ভরশীল।

ইকরামের বাগানে এখন ১৫০ জাতের আঙুর

একটি চারা থেকে শুরু করে ১৫০ জাতের আঙুর চাষে এক বছরে প্রায় ৯ লাখ টাকা আয় করে স্বাবলম্বী হয়েছেন চাঁদপুরের তরুণ ইকরাম খান।

নেত্রকোনার হাওরসহ নিম্নাঞ্চলে বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। এক সপ্তাহ ধরে কিছু কিছু এলাকায় আগাম কাটা শুরু হলেও গত রোববার পুরোদমে ধান কাটা শুরু হয়।

বাংলাদেশে নতুন পার্লামেন্ট ও নতুন সরকারের প্রায় দেড় মাস হলো। এ সময়ের মধ্যে সরকারের আলোচিত দুটি উদ্যোগ হলো পরীক্ষামূলকভাবে ফ্যামিলি কার্ড চালু এবং কৃষি কার্ড চালুর ঘোষণা দেওয়া।

মাচার ওপর লতিয়ে উঠেছে চালকুমড়ার সবুজ ডগা। আর নিচে মাটিতে সারি সারি আলু। একই জমিতে এমন ভিন্নধর্মী চাষাবাদের দেখা মেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের পুটিমারী এলাকায়।

বারি জিরা-১ জাতের মাধ্যমে দেশে জিরা চাষের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন জেলায় পরীক্ষামূলক চাষে ভালো ফলন পেয়েছেন কৃষকেরা, বিশেষ করে রাজশাহীর বরেন্দ্র অঞ্চলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি উৎপাদন হয়েছে।

দিনাজপুরের বিরল উপজেলার রবিপুর গ্রামে স্থানীয় চার উদ্যোক্তা যৌথ উদ্যোগে ৮৭ শতাংশ জমিতে স্ট্রবেরি চাষ করছেন।

হবিগঞ্জের প্রান্তিক এলাকায় নারীরা সংসারের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসা, অনলাইন উদ্যোগ ও গুচ্ছ উদ্যোগের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। ব্যবসা, চাকরি, প্রবাসী আয়, এসএমই ব্যবসা ও নানা সেবা খাতে যুক্ত হচ্ছেন। এর মাধ্যমে জেলার অর্থনীতিতে পরিবর্তন আসছে।

রংপুর নগরের লালকুঠির বাসিন্দা মেহেদী ইউটিউব ঘেঁটে মাশরুম চাষ শুরু করেন। এখন কাঁচা মাশরুম, বীজ ও মাশরুমের বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী বিক্রি করে মেহেদীর মাসে আয় ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা।