
পদত্যাগের ভাষণে কী কী বললেন কিয়ার স্টারমার
স্যার কিয়ার স্টারমার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পদ ও লেবার পার্টির নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।

স্যার কিয়ার স্টারমার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পদ ও লেবার পার্টির নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।

গত মাসে স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির বড় পরাজয়ের পর থেকে স্টারমারের ওপর দল আস্থা হারাতে শুরু করে

যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং পদত্যাগের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে খবর। এতে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্বের সংকট আরও গভীর হয়েছে। লেবার পার্টির অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা বেড়েছে স্থানীয় নির্বাচনী পরাজয়ের পর।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার নিজের দলের মন্ত্রী ও আইনপ্রণেতাদের বিদ্রোহের মুখে পড়েছেন। গতকাল সোমবার রাতে মন্ত্রীরা তাঁকে নানা পরামর্শ দিয়েছেন, পদত্যাগের দাবিও উঠেছে। আজ মঙ্গলবার তাঁর জন্য সবচেয়ে কঠিন দিন।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ দাবিতে লেবার পার্টিতে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। চারজন পিপিএস পদত্যাগ করেছেন এবং ৭০ জন এমপি একই আহ্বান জানিয়েছেন। গত স্থানীয় নির্বাচনে দলের পরাজয় এর মূল কারণ।

স্থানীয় নির্বাচনে লেবারের পরাজয়ের পর চাপে পড়ে আছেন প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। আজ সোমবার ভাষণে তিনি পদত্যাগ অস্বীকার করেন এবং অ্যান্ডি বার্নহ্যামের পার্লামেন্টে প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে এনইসির হাতে সিদ্ধান্ত ছাড়েন।

স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির ব্যাপক পরাজয় সত্ত্বেও যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার পদত্যাগ করবেন না বলে জানিয়েছেন। তিনি দায় স্বীকার করে বলেছেন, দেশকে বিশৃঙ্খলায় ঠেলে দেবেন না। রিফর্ম ইউকে এই নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য জয়লাভ করেছে।

লর্ড পিটার ম্যান্ডেলসনকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কে বড় ধরনের রাজনৈতিক সংকটে পড়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।

যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে বিশ্বের অনেক বিখ্যাত ব্যক্তির যোগাযোগ ছিল।

কিয়ার স্টারমার লেবার পার্টির নেতৃত্ব থেকে পদত্যাগ করেছেন, যার অর্থ যথাসময়ে তিনি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর পদও ছাড়ছেন। মেকারফিল্ড উপনির্বাচনে অ্যান্ডি বার্নহামের বিশাল জয়ের পর, শেষ পর্যন্ত শত চেষ্টা আর লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও প্রবল চাপ আর সামলাতে পারলেন না স্টারমার।

মাত্র দুই বছর ক্ষমতায় থাকার পরই যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়লেন কিয়ার স্টারমার।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার পদত্যাগ করবেন বলে ঘোষণার মধ্য দিয়ে যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে বিরল এক অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।