
৮৮ হাজার করদাতার রিটার্ন যাচাই–বাছাই করবে এনবিআর
এ পর্যন্ত প্রায় ৮৮ হাজার করদাতার আয়কর রিটার্ন নথি নিরীক্ষার জন্য নির্বাচন করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। দুই দফায় এসব করদাতার নথি নির্বাচন করা হয়।

এ পর্যন্ত প্রায় ৮৮ হাজার করদাতার আয়কর রিটার্ন নথি নিরীক্ষার জন্য নির্বাচন করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। দুই দফায় এসব করদাতার নথি নির্বাচন করা হয়।

আজ সকালে আগারগাঁওয়ের রাজস্ব ভবনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রাক–বাজেট আলোচনায় এমসিসিআই সভাপতি কামরান টি রহমান এ কথা বলেন।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কোম্পানি করদাতাদের ২০২৫–২৬ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা আরও এক মাস বাড়িয়েছে। আগামী ১৫ মে পর্যন্ত রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে। করনীতির দ্বিতীয় সচিব মো. একরামুল হক স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এই ঘোষণা করা হয়েছে।

আজ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে। কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া সব করদাতার অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে হবে।

আজ রোববার এই বিষয়ে করনীতির দ্বিতীয় সচিব মো. একরামুল হক স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে এনবিআর।

৪০ লাখ টাকার বেশি আয় দেখিয়েছেন, এমন পুরুষ করদাতার সংখ্যা ২৯ হাজার ৮০ ও নারী করদাতার সংখ্যা ৫ হাজার ১১৭।

প্রতিদিন গড়ে ১০০ জন প্রবাসী বাংলাদেশি করদাতা তাঁদের আয়কর রিটার্ন দিচ্ছেন। প্রায় ৫ হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি ই-রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধন নিয়েছেন।

বাজেটে রিটার্ন জমার বাধ্যবাধকতার ক্ষেত্র বাড়ানোর পাশাপাশি আরও কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে; যা কিছু ক্ষেত্রে করদাতাদের ওপর চাপ বাড়াতে পারে, আবার কিছু ক্ষেত্রে করদাতাদের সুবিধা হবে।

বড় করদাতাদের কর রেয়াত সুবিধা কমবে। আগের মতো একই কর রেয়াত পেতে হলে আগের চেয়ে বেশি বিনিয়োগ করতে হবে।

যাঁরা বিদেশে থাকার কারণে নির্ধারিত সময়ে আয়কর রিটার্ন দিতে পারেন না, প্রস্তাবিত বাজেটে তাঁদের রিটার্ন দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। তিন ধরনের করদাতারা এ সুযোগ নিতে পারবেন।

গভর্নর বলেন, একদল মানুষ ব্যাংকে টাকা রাখল, আরেক দল চুরি করে নিয়ে গেল। এখন করদাতাদের টাকা দিয়ে এসব ব্যাংকে মূলধন জোগান দেওয়া হচ্ছে।

সংগঠনটির আশঙ্কা, রাজস্ব আদায়ে চাপ বাড়লে করদাতারা হয়রানির শিকার হতে পারেন এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যেতে পারে।