এল নিনোর ঝুঁকি মোকাবিলায় সমন্বিত প্রস্তুতি প্রয়োজন
প্রশান্ত মহাসাগরের উষ্ণতার কারণে সৃষ্ট 'সুপার এল নিনো'র প্রভাবে বিশ্বজুড়ে চরম আবহাওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে; বাংলাদেশে কৃষি ও খাদ্যনিরাপত্তা রক্ষায় সমন্বিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রশান্ত মহাসাগরের উষ্ণতার কারণে সৃষ্ট 'সুপার এল নিনো'র প্রভাবে বিশ্বজুড়ে চরম আবহাওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে; বাংলাদেশে কৃষি ও খাদ্যনিরাপত্তা রক্ষায় সমন্বিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আইআরসি জানায়, চলতি বছরের মৌসুমি বৃষ্টিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় বন্যা ও পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে।
জাতিসংঘের সতর্কতায় বলা হয়েছে, আসন্ন এল নিনো বিশ্বব্যাপী তাপপ্রবাহ ও চরম আবহাওয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
পৃথিবীর দিকে প্রলয়ংকর সুপার এল নিনো ধেয়ে আসছে বলে সতর্ক করেছেন জলবায়ুবিজ্ঞানীরা।
সমুদ্রের তাপমাত্রার বৃদ্ধিকে পেরু আর ইকুয়েডরের আদিবাসীরা আদর করে নাম দিয়েছিল ‘এল নিনো’ বা ‘খোকাবাবু’।
গতকাল শুক্রবার বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) এমন সতর্কবার্তা দিয়েছে।
দেশে মৌসুমি বায়ুর প্রবেশ, প্রভাব কতটুকু পড়বে
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জলবায়ুর ভারসাম্যহীনতা নিয়ে সতর্ক করেছে। চলতি বছরের শেষে এল নিনো শুরু হলে তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড ভাঙার আশঙ্কা রয়েছে। জাতিসংঘের মহাসচিব নবায়নযোগ্য শক্তির আহ্বান জানিয়েছেন।
দ্রুত শক্তিশালী হওয়া ‘এল নিনো’র প্রভাবে বিশ্বজুড়ে তাপদাহ, খরা ও বন্যার ঝুঁকি বাড়ছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘের বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও)।