
পরাজয় ছাপিয়েও যখন বড় হয়ে ওঠে ফিরে আসার গল্প
শেষ ওয়ানডেতে ১ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ। এর আগে লিখেছে দুর্দান্ত এক ফিরে আসার গল্প।

শেষ ওয়ানডেতে ১ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ। এর আগে লিখেছে দুর্দান্ত এক ফিরে আসার গল্প।

আমেরিকা ৭৫ শতাংশ ম্যাচের আয়োজক বলেই নয়, এই বিশ্বকাপের পদে পদেই ‘আমেরিকানীকরণ’ ঘটেছে। মুক্তবাজার অর্থনীতির লীলাভূমিতে টিকিটের দাম ছুঁয়েছে সর্বকালের রেকর্ড।

এই সময়ে ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন নিয়ে কম জল ঘোলা হয়নি, তৈরি হয়েছে অনেক বির্তকও।

লারার সাক্ষাৎকার নিতে ছুটতে হয়েছিল ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকের বাড়িতে। আরেকটা কারণেও এই সাক্ষাৎকারটা আগের সব সাক্ষাৎকারের চেয়ে আলাদা। এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে লারা অবসর নেওয়ার পর। যে কারণে তাঁর পুরো ক্যারিয়ারই ফুটে এসেছে এতে। ব্রায়ান লারার ৫৫তম জন্মদিন উপলক্ষে সাক্ষাৎকারটি আবার প্রকাশ করা হলো।

সৌরভের কল্যাণে দুই-একটা বাংলা শব্দ শিখেছেন। তাই বলে বাংলায় একটা আস্ত বই পড়ে ফেলতে পারার প্রশ্নই ওঠে না। আমার বই পড়ার জন্য অনুবাদক ভাড়া করেছেন বা করবেন বলেও মনে হয় না। এমন কিছু হয়েছে শুনলে আমি নিজেই অজ্ঞান হয়ে যাব। যতটা না আনন্দে, তার চেয়ে বেশি বিস্ময়ে। আমরা তাই ধরে নিতে পারি, আমার লেখা 'শচীন রূপকথা' বইটি শচীন টেন্ডুলকার পড়েননি। তবে না পড়লেও বইটা যে শচীন টেন্ডুলকারের কাছে আছে, এটা আমি...

এক বাঁহাতি জিনিয়াসের রেকর্ড-ভাঙা ইনিংস, ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে বিখ্যাত ছক্কা, সর্বকালের অন্যতম সেরা এক ফাস্ট বোলারের জন্ম, দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্টে প্রত্যাবর্তন এই দিনে। ক্রিকেটকে বদলে দেওয়া আইপিএলের জন্মদিনও!

শ্রীলঙ্কার পাহাড়ি শহর ক্যান্ডি থেকে ৬ কিলোমিটার দূরত্বের শহরতলি কুন্ডেসালে জন্ম ও বেড়ে ওঠা মুত্তিয়া মুরালিধরনের। ২০০৭ সালে মুরালিধরনের সেই বাড়িতে ঘুরে এসেছেন উৎপল শুভ্র।

রাজনৈতিক বৈরিতাকে মাঠে টেনে আনার এই অপসংস্কৃতিও হয়তো শেষ হবে একদিন। ভবিষ্যতে কোনো এক ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে টসের সময় দুই অধিনায়ক হাত মেলাবেন।

২০০১ সালে লক্ষণ ও দ্রাবিড় সারা দিন ব্যাট করে ম্যাচের রং পাল্টে দিয়েছিলেন এই দিনে। পরের দিন ২৮১ রানে আউট হওয়ার আগে দ্রাবিড়ের সঙ্গে লক্ষণ গড়েছিলেন ৩৭৬ রানের ঐতিহাসিক জুটি।

প্রথম ইনিংসে ২৭৪ রানে পিছিয়ে পড়া ভারত ফলো অন করতে নেমে চতুর্থ উইকেট হারিয়েছিল ২৩২ রানে। সেই ম্যাচও পরে ভিভিএস লক্ষন ও রাহুল দ্রাবিড়ের অবিশ্বাস্য এক জুটিতে অকল্পনীয়ভাবে জিতে গিয়েছিল ভারত।

বলুন তো, টেস্ট ক্রিকেটে একই ম্যাচে শতক আর ১০ উইকেটের ‘ডাবল’-এর প্রথম কীর্তি কার? উত্তরটা হয়তো আপনার ঠোঁটের ডগায় এসে গেছে—কেন, ইয়ান বোথাম

রান-সেঞ্চুরিতে আরও অনেকেই এগিয়ে থাকতে পারেন, তবে ভিভ রিচার্ডসের মহিমার কতটুকুই বা বোঝা যায় ওসব সংখ্যায়! পুঁচকে অ্যান্টিগা থেকে উঠে এসে বিশ্ব ক্রিকেটে রাজত্ব করা ভিভ রিচার্ডস কোথায় বাকিদের সঙ্গে আলাদা হয়ে যান? এই লেখায় এর উত্তর খুঁজতে চেয়েছেন উৎপল শুভ্র। যেটিকে বলতে পারেন জন্মদিনে রিচার্ডসকে দেওয়া নৈবেদ্য।