
চট্টগ্রামে ঈদ ফ্যাশনে তারুণ্যের ঝলক
চট্টগ্রামে এ আয়োজন নতুন নয়। ১৯৯৮ সালে শুরুর পর থেকে নিয়মিতভাবেই ঈদকে ঘিরে এই ফ্যাশন আসর বসছে। এবার ছিল ২৫তম আয়োজন। অংশ নেন সাতজন নির্বাচিত ডিজাইনার।

চট্টগ্রামে এ আয়োজন নতুন নয়। ১৯৯৮ সালে শুরুর পর থেকে নিয়মিতভাবেই ঈদকে ঘিরে এই ফ্যাশন আসর বসছে। এবার ছিল ২৫তম আয়োজন। অংশ নেন সাতজন নির্বাচিত ডিজাইনার।

চট্টগ্রাম ‘আদি মোহিনী মোহন কাঞ্জিলাল-মুক্তকণ্ঠ ঈদ ফ্যাশন’ আয়োজন চলছে।

‘সেলিব্রিটি আর্কাইভ: ঈদ এক্সটেন্ডেড’ আয়োজনে বিভিন্ন তারকার পোশাক প্রদর্শনী দর্শনার্থীদের নজর কাড়বে।

ফ্যাশন ও আরাম—দুটোকেই মাথায় রেখে শিশুদের জন্য এবারের ঈদ আয়োজন সাজিয়েছে ফ্যাশন হাউসগুলো।

আরামদায়ক কাপড়, ঢিলেঢালা কাট আর স্বল্প নকশা—এই তিন বিষয় কেন্দ্র করেই ফ্যাশন হাউসগুলো সাজিয়েছে তাদের ঈদ আয়োজন।

ঈদে পাঞ্জাবি, শার্ট ও টি-শার্টের নকশায় তরুণ ক্রেতাদের চাহিদাই প্রাধান্য পেয়েছে বেশি। প্যান্টের মধ্যে জিনস, গ্যাবার্ডিন আর ব্যাগি চলছে বেশি।

গরমে কড়া মেকআপ যেমন গলে পড়ার ঝুঁকি থাকে, তেমনি পোশাকও জমকালো হলে অস্বস্তি। তাই বলে কি ঈদের দিন সাজবেন না?

নিয়মিতভাবে সাপ্তাহিক সন্ধানের সঙ্গে সঙ্গে জমে উঠেছিল ঈদ ফ্যাশন ও ঈদের বাজার সংখ্যা।

ঢাকার ঈদবাজারে পাঁচ লাখ টাকার পাঞ্জাবি

চৈত্র মাসের গরমেও শিশুর ঈদটি যেন স্বস্তির হয়, তাই নির্বাচন করতে হবে আরামদায়ক পোশাক।

অনেকেই ঈদের পোশাকের রং ও নকশার সঙ্গে মিলিয়ে বেছে নেন মেহেদির ডিজাইন। এ বছর জ্যামিতিক বা আলপনার নকশা দেখা যাবে হাতে।

ঈদে সাধারণত একটি বা দুটি ধারা জনপ্রিয় হতে দেখা যায়। জেন–জি আর মিলেনিয়ালদের পোশাকে এবার সেই রীতি ভেঙে পড়েছে। ঈদ ফ্যাশনের মূল ধারাই এবার কাটের বৈচিত্র্য।