ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রক্সি বাহিনী কীভাবে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা বাড়াচ্ছে
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রক্সি বাহিনীর ব্যবহার অস্থিরতা বাড়াচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রক্সি বাহিনীর ব্যবহার অস্থিরতা বাড়াচ্ছে।
বিশ্ববাজারে তেলের দাম ও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা। তবে বৃহস্পতিবার দিনভর তেলের দাম ওঠানামা করেছে। আজ শুক্রবার সকালে দাম আরও কমেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাত এবং কৌশলগত জটিলতার কারণে ডোনাল্ড ট্রাম্প যেভাবে যুদ্ধ থেকে বের হতে পারছেন না, তা নিয়ে বিশ্লেষণ।
হরমুজ প্রণালির অস্থিরতা এবং তেলের দামের ওঠানামা এশিয়ার জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও আঞ্চলিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেছেন ইয়াসুতো ওয়াতানাবে।
ইরানে বিক্ষোভে ২০০০ মানুষ নিহত
বর্তমানে বিশ্ব অর্থনীতিতে যে অস্থিরতা শুরু হয়েছে, সেটা ইরান যুদ্ধ নিয়ে যে কোনো পূর্বাভাসেই বলা হয়েছিল।
ইরানে সাম্প্রতিক অস্থিরতা শাসনব্যবস্থার কোনো পরিবর্তন ঘটায়নি। আবার সেখানে ভেনেজুয়েলার মতো কোনো অভ্যুত্থানের পথও তৈরি করেনি।
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির কারণে ট্রাম্প প্রশাসনে রীতিমতো উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা শুরু হয়েছে।
ইরান যুদ্ধ শুরুর পর জ্বালানি সরবরাহে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল, তা এখনো পুরোপুরি কাটেনি। তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে ধারাবাহিকভাবে তেলবাহী জাহাজ আসছে দেশে। চলতি এপ্রিল মাসের ২০ দিনে এখন পর্যন্ত ডিজেল, অকটেন, জেট ফুয়েল ও ফার্নেস তেল নিয়ে ১২টি জাহাজ এসেছে। এতে মজুত কিছুটা বেড়েছে।
শেষ জামানায় পৃথিবীতে বড় অস্থিরতা দেখা দেবে। এরপর ঘটবে ‘র্যাপচার’। অর্থাৎ বিশ্বাসীরা অলৌকিকভাবে স্বর্গে চলে যাবেন।
ইরান ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের চাপিয়ে দেওয়া এই যুদ্ধ বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে এমন এক অস্থিরতা তৈরি করেছে, যা সাময়িক ধাক্কা বলে উড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই।
হরমুজ প্রণালি সংকটে জ্বালানিবাজারে অস্থিরতা বাড়লেও বিশাল মজুত ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির শক্তিতে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে চীন।