ইমরান খান কি তাহলে কারামুক্তির পথে?
পাকিস্তানের আদিয়ালা কারাগারে বন্দী ইমরান খানকে কেন্দ্র করে কারামুক্তি নিয়ে গোপনে আলোচনার ইঙ্গিত দিয়েছে সূত্রগুলো—এমন তথ্য জানিয়ে স্বাস্থ্যগত কারণে দ্রুত মুক্তির দাবি তুলেছেন তাঁর পরিবার ও উপদেষ্টা।
পাকিস্তানের আদিয়ালা কারাগারে বন্দী ইমরান খানকে কেন্দ্র করে কারামুক্তি নিয়ে গোপনে আলোচনার ইঙ্গিত দিয়েছে সূত্রগুলো—এমন তথ্য জানিয়ে স্বাস্থ্যগত কারণে দ্রুত মুক্তির দাবি তুলেছেন তাঁর পরিবার ও উপদেষ্টা।
কারাবন্দী পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান চোখের গুরুতর সমস্যায় ভুগছেন-এমন খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তাঁর দল।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ইমরান খান ও বুশরা বিবির পরিবার ও আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করার ‘নিঃশর্ত অধিকার’ ফেরাতে পাকিস্তান কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানিয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাটি বলেছে, তাঁদের পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হবে এবং নির্জন কারাবাসের অভিযোগ দ্রুত বন্ধ করতে হবে।
পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের জন্য কারাগারে যথাযথ চিকিৎসাসেবার দাবি জানিয়েছেন দেশটির দুই কিংবদন্তি ক্রিকেট তারকা ওয়াসিম আকরাম ও ওয়াকার ইউনিস।
ইমরান খানের ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি প্রায় ৮৫ শতাংশ নষ্ট হয়ে গেছে।
পাকিস্তানের জ্যেষ্ঠ এক চিকিৎসক নিশ্চিত করেছেন, ইমরান খানের ডান চোখ পরীক্ষা করা হয়েছে। রক্তনালিতে চাপের কারণে তাঁর দৃষ্টিশক্তিতে সমস্যা দেখা দিয়েছিল।
এদিকে আলোচিত আল-কাদির ট্রাস্ট মামলা বা ১৯০ মিলিয়ন পাউন্ড দুর্নীতি মামলায় সাজা স্থগিতের আবেদনের দ্রুত শুনানির আবেদনও পৃথকভাবে করা হয়েছে।
ইমরান খানকে নিয়ে ব্রিটেনের দ্য টাইমস পত্রিকায় একটা কলাম লিখেছেন সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক মাইকেল আথারটন।
কারাবন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের চোখের গুরুতর সমস্যার চিকিৎসার জন্য তাঁকে গোপনে হাসপাতালে নেওয়ার সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তটি তথাকথিত ‘হাইব্রিড সরকারের’ আরেকটি বড় ভুল।
শনিবার সিডনির ক্যাম্পসি ওরিয়ন ফাংশন সেন্টারে আয়োজিত হচ্ছে বর্ণিল সাংস্কৃতিক উৎসব ‘ফাগুন হাওয়া ফেস্ট–২০২৬’। সেখানে নিজের জনপ্রিয় গানগুলো নিয়ে মঞ্চে উঠবেন তিনি।
ইমরান খানের শারীরিক অবস্থা নিয়ে সরকার কয়েক দিন ধরে জনসমক্ষে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিষয়টি গোপন রেখেছে বলে অভিযোগ।
কারাবন্দী পাকিস্তানের কিংবদন্তি অধিনায়ক ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে নিয়ে ক্রিকইনফোতে একটি কলাম লিখেছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক গ্রেগ চ্যাপেল।