গণ–অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী আমরা কীভাবে উদ্যাপন করব
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্ণ হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের যে সংগ্রাম ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই দেশবাসীকে আবেগে উদ্বেল করে তুলেছিল, তারই বিজয়ের দিন ‘৩৬ জুলাই’ বা ৫ আগস্ট।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্ণ হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের যে সংগ্রাম ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই দেশবাসীকে আবেগে উদ্বেল করে তুলেছিল, তারই বিজয়ের দিন ‘৩৬ জুলাই’ বা ৫ আগস্ট।
সমকালীন ভারতে আর কোনো রাজ্যের নির্বাচন এতটা উত্তেজক ছিল না—এবার ২০২৬ সালে যা হলো। পশ্চিমবঙ্গের কোনো নির্বাচনও বাংলাদেশে এত মনোযোগ কাড়েনি অতীতে। এতসব আকর্ষণের কারণ, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গ বিজয়কে মর্যাদার লড়াই বানিয়ে ফেলেছিল।
পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম বিজেপির কাছে গুরুত্বপূর্ণ এ কারণে যে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রাজ্য এগুলো।
নির্বাচনের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। প্রচার এখন তুঙ্গে। এবারও নির্বাচনকালে রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের সামনে অনেক নীতিগত প্রতিশ্রুতি হাজির করেছে।
ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তে দীর্ঘ সংকট তৈরি হয়েছে। একদিকে মিয়ানমারের প্রলম্বিত গৃহযুদ্ধ, অন্যদিকে ভারতের কঠোর সীমান্তনীতি ও ৪ বিলিয়ন ডলারের কাঁটাতার প্রকল্প—এই দুইয়ের যাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছে সেখানকার জাতিগোষ্ঠীগুলো। মিয়ানমার সীমান্তে চীন ও ভারতের ভূরাজনৈতিক লড়াই এ অঞ্চলে কী নতুন বাস্তবতা তৈরি করছে তা নিয়ে বিশ্লেষণ করেছেন আলতাফ পারভেজ।
চব্বিশের গণ–অভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক সংস্কার নিয়ে কিছু কাজ হয়েছে। এখন অর্থনীতির সংস্কারের বিষয়গুলো নিয়েও আলাপ জরুরি। অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার ছাড়া কেবল রাজনৈতিক সংস্কার দেশে শান্তি আনবে না। অর্থনীতির কাঠামোগত সংস্কার নিয়ে দুই পর্বে লিখেছেন আলতাফ পারভেজ।
এখন জরুরি প্রশ্ন হচ্ছে, আওয়ামী লীগ কি আসলেই ‘ফিরে এসেছে’? ২ জুন মুক্তকণ্ঠয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক আলতাফ পারভেজের ‘নিষিদ্ধ দল যখন টক অব দ্য কান্ট্রি’ শীর্ষক একটি অভিমত প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, গ্রাম-শহর সর্বত্র নাকি আওয়ামী লীগের ফেরার আলাপ শুরু হয়ে গেছে!