বাংলাদেশের নতুন আমদানি নীতি নিয়ে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য সংলাপ জোরদারের অংশ হিসেবে ইউএসটিআরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী ব্রেন্ডান লিঞ্চ শিগগিরই বাংলাদেশ সফরে আসছেন।
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য সংলাপ জোরদারের অংশ হিসেবে ইউএসটিআরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী ব্রেন্ডান লিঞ্চ শিগগিরই বাংলাদেশ সফরে আসছেন।
নতুন আমদানি নীতি ২০২৬-২০২৯ অনুযায়ী দেশে ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত সম্পূর্ণ তৈরি মোটরসাইকেল আমদানির সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
রপ্তানিকারকের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে এত দিন বছরে সর্বোচ্চ ৫ লাখ ডলারের পণ্য আমদানি করা যেত। নতুন নীতিতে এই সীমা তুলে দেওয়া হয়েছে।
নতুন ‘আমদানি নীতি আদেশ, ২০২৫-২৭’-এর খসড়া গতকাল উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অনুমোদিত হয়েছে।
আমদানিনির্ভর জ্বালানি নীতি যে কত বড় সংকট তৈরি করতে পারে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ তা আবারও আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল।
দেশে ৮ বিলিয়ন ডলারের রাসায়নিক পণ্যের বাজারের ৮০ শতাংশই আমদানিনির্ভর; ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে।
তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সাম্প্রতিক সংকট, ভোক্তাদের দুর্ভোগ ও বাড়তি ব্যয় আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল কৌশলগত পণ্যে একক উৎসে নির্ভরতা মোটেই টেকসই নীতি নয়।