ইরানের অর্থনীতির মেরুদণ্ড খারগ দ্বীপে মার্কিন হামলা
ইরানের অর্থনীতির মেরুদণ্ড খারগ দ্বীপে মার্কিন হামলা
ইরানের অর্থনীতির মেরুদণ্ড খারগ দ্বীপে মার্কিন হামলা
ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত জেডি ভ্যান্স দৃঢ়ভাবে প্রকাশ্য সমর্থন দেননি। ফলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে ভাইস প্রেসিডেন্টের দূরত্ব স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টকমের দাবি, হামলায় তারা দ্বীপটিতে থাকা ইরানের নৌ মাইন মজুত কেন্দ্র, ক্ষেপণাস্ত্র বাংকারসহ ৯০টির বেশি সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ওয়াডার এই উদ্যোগের পেছনে আছে দুই পক্ষের দীর্ঘদিনের বিরোধ। সংস্থাটির কার্যকারিতা নিয়ে বিতর্কের জেরে যুক্তরাষ্ট্র কয়েক বছর ধরে তাদের বার্ষিক চাঁদা দেয়নি।
ইরান যুদ্ধ শেষ করতে ইসরায়েলকে এক সপ্তাহের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানের মোট অপরিশোধিত তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ এ দ্বীপ থেকে হয়।
মূলত ইসরায়েলের প্রতি অপরিসীম আনুগত্যের জায়গা থেকে হেগসেথ প্রায়ই ইরানের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করে থাকেন।
ইরানের ড্রোন কৌশলের পেছনে রাশিয়ার হাত রয়েছে বলে দাবি করেছেন ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
মধ্যপ্রাচ্যের বিশৃঙ্খলা থেকে উপসাগরীয় দেশগুলোর লাভ নেই। আরব বিশ্বেরও নেই। কিন্তু একটি রাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে মনে করে, অঞ্চলে শক্তির শূন্যতা তৈরি হলে তার আপেক্ষিক শক্তি বাড়ে।
মধ্যপ্রাচ্য: ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি?
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর দেশটির বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। গত সপ্তাহে আটলান্টায় ফিফার প্রস্তুতি সভায় একমাত্র ইরানই অনুপস্থিত ছিল।
ইরান যুদ্ধকে ‘পাগলামি’ আখ্যা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী পডকাস্ট সঞ্চালক জো রোগান।