সিলেটে বিএনপির প্রথম নির্বাচনী জনসভা: রাতেই হাজারো নেতা-কর্মীর অবস্থান, চলছে স্লোগান
সিলেটে বৃহস্পতিবার সকালে জনসভার মধ্য দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার শুরু করছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সিলেটে বৃহস্পতিবার সকালে জনসভার মধ্য দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার শুরু করছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিয়ম ‘শিথিল’ করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (শাকসু) নির্বাচনের আয়োজনের অনুমতি দেওয়ার দাবি করেছেন আন্দোলনরত প্রার্থী ও শিক্ষার্থীরা।
গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোট হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন আংশিক বিতর্কমুক্ত হলেও পুরোপুরি প্রশ্নাতীত নয় বলে জানিয়েছে পর্যবেক্ষক সংস্থা সুজন।
জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির নির্বাচনী ঐক্য আর কত দিন থাকবে—এ প্রশ্ন করেছিলেন এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন দলীয় সভায়।
এনসিপি ইশতেহারে আওয়ামী লীগ আমলের সব মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করার কথা বললেও কাঠামোগত গণহত্যায় যে হাজারো মানুষ মারা গেল রানা প্লাজা, তাজরীন, হাশেম ফুডসে, কিংবা চকবাজারে, সেগুলো নিয়ে তাদের কোনো আলাপই নেই। আলাপ নেই অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ঘটা সব রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড ও মব সন্ত্রাসের বিচার নিয়ে। পার্বত্য চট্টগ্রামে বিভিন্ন সময়ে ঘটা মানবতাবিরোধী অপরাধগুলো নিয়ে কোনো আলাপ নেই।
স্বৈরাচার ঠেকাতে জাতীয় নির্বাচনের দিন অনুষ্ঠেয় গণভোটে হ্যাঁ-তে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে শফিকুর রহমান।
কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী মো. আবুল হাসনাত ওরফে হাসনাত আবদুল্লাহর বছরে আয় সাড়ে ১২ লাখ টাকা।
জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে নিজের জীবিত বাবাকে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বলে বিপাকে পড়েছেন নীলফামারী–৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য আব্দুল মুনতাকিম।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১৪৩ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে বিএনপির প্রার্থী ১৭ জন, জামায়াতে ইসলামীর ১৪ জন।
জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি। কুষ্টিয়ায় বিএনপি মনোনিত নারী সংসদ সদস্য প্রার্থী ফরিদা ইয়াসমিন।
দৈনিক মুক্তকণ্ঠের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানা যায়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য ৮১টি সংস্থার ৫৫ হাজার ১৫৪ জন পর্যবেক্ষককে অনুমোদন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে একটি নামমাত্র সংস্থাই ১০ হাজার পর্যবেক্ষক নিয়োগের অনুমোদন পেয়েছিল, যা পরে স্থগিত করা হয়। এ ঘটনা ব্যতিক্রম নয়, বরং পুরো নির্বাচন পর্যবেক্ষণব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতাকে স্পষ্ট করে।