
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় কূটনৈতিক খেল দেখাচ্ছে কাতার
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উত্তেজনা কখনোই শুধু এই দুই দেশের মধ্যেই সীমিত থাকে না। ইরানের ভেতরে সাম্প্রতিক বিক্ষোভে বহু মানুষের মৃত্যুর খবরের পর ওয়াশিংটন ও তেহরানের বক্তব্য আরও কঠোর হয়ে ওঠে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উত্তেজনা কখনোই শুধু এই দুই দেশের মধ্যেই সীমিত থাকে না। ইরানের ভেতরে সাম্প্রতিক বিক্ষোভে বহু মানুষের মৃত্যুর খবরের পর ওয়াশিংটন ও তেহরানের বক্তব্য আরও কঠোর হয়ে ওঠে।

ইরান সরকারের পতন ঘটানোর লক্ষ্যেই এ বিশাল সামরিক শক্তি জড়ো করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো বলছে, ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী সরাসরি বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালিয়েছে।

দক্ষিণ আফ্রিকায় সম্প্রতি ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোর যৌথ নৌ মহড়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ইরানের রাজপথের বিক্ষোভ এখন স্তিমিত। হাজার হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই অস্থিরতায় সমর্থন দেওয়ার অভিযোগে অনেকের ব্যবসায়িক সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে

১৯৫৩ সালের আদি পাপ ওয়াশিংটনকে শিখিয়েছিল টাকা দিয়ে রাজপথ কেনা যায় এবং নেতৃত্ব সরানো যায়। দীর্ঘমেয়াদি ফলের কথা কেউ ভাবেনি। আজ সেই বুমেরাং ফিরে আসছে ধারালো হয়ে।

সম্প্রতি ট্রাম্প তেহরানকে আবারও সতর্ক করেছেন। বিক্ষোভকারীদের হত্যা বা পারমাণবিক কর্মসূচি নতুন করে শুরু করা হলে তার পরিণতি ভোগ করতে হবে।

বিরোধীদের এই সহিংসতা এমন অনেক মানুষকে হতবাক করেছে, যাঁরা নিজেরাও সরকারের বিরোধী। এই আন্দোলনকে আগেরগুলোর থেকে আলাদা মনে হওয়ার এটাও ছিল বড় কারণ।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছেন, ইরানকে আক্রমণ করার সুযোগ খুঁজছে ইসরায়েল। তিনি এই আশঙ্কার কথা তেহরানের নেতৃত্বকেও জানিয়ে দিয়েছেন।

অতীতেও বিভিন্ন সময় মধ্যপ্রাচ্য ঘিরে উত্তেজনার সময় অঞ্চলটিতে বাড়তি বাহিনী পাঠিয়েছে ওয়াশিংটন।

ট্রাম্প বলেন, তাঁর হুমকির পর ইরান প্রায় ৮৪০ জনের ফাঁসি বাতিল করেছে।

আঙুল ‘ট্রিগারে’ আছে, হুঁশিয়ারি ইরানের