
ইরানে সামরিক অভিযানের প্রয়োজন পড়বে না: ট্রাম্পের আশা
ইরানে হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র, কয়েক দিন ধরেই এমন জল্পনা-কল্পনা চলছে।

ইরানে হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র, কয়েক দিন ধরেই এমন জল্পনা-কল্পনা চলছে।

সৌদি আরব, মিসর, ওমান ও কাতার ইরানে সামরিক হামলার বিরোধিতা করছে। তারা বড় ধরনের আঞ্চলিক যুদ্ধের আশঙ্কা করছে।

রুশ প্রতিষ্ঠান ‘রোসাটম’-এর প্রধান আলেক্সি লিখাচেভ বলেন, প্রয়োজন পড়লে ইরানের বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে তাদের কর্মীদের সরিয়ে নিতে মস্কো পুরোপুরি প্রস্তুত।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনার মধ্যে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান তুরস্কে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এবং সিরিয়াবিষয়ক বিশেষ দূতের সঙ্গে কথা বলেছেন।

ইরানের বিক্ষোভে এ পর্যন্ত ৬ হাজার ৩০১ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে এইচআরএএনএ।

হুমকির জবাবে ইরান বলল ‘আঙুল ট্রিগারে’

গত বছরের জুনে ইসরায়েলের কয়েক দিনব্যাপী সামরিক হামলা থেকে ইরান ‘মূল্যবান শিক্ষা’ নিয়েছে বলে উল্লেখ করেন আব্বাস আরাগচি।

গত মঙ্গলবার এক ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘আরও একটি সুসজ্জিত নৌবহর ইরানের পথে আছে।’

সৌদি যুবরাজের সঙ্গে আলাপকালে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্রের হামলার হুমকির কড়া সমালোচনা করেন।

গতকাল মঙ্গলবার সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এসপিএ এমন তথ্য দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উত্তেজনা কখনোই শুধু এই দুই দেশের মধ্যেই সীমিত থাকে না। ইরানের ভেতরে সাম্প্রতিক বিক্ষোভে বহু মানুষের মৃত্যুর খবরের পর ওয়াশিংটন ও তেহরানের বক্তব্য আরও কঠোর হয়ে ওঠে।

ইরান সরকারের পতন ঘটানোর লক্ষ্যেই এ বিশাল সামরিক শক্তি জড়ো করা হচ্ছে।