দেশে ১০–১৫টি ব্যাংকই যথেষ্ট: গভর্নর
আহসান এইচ মনসুর বলেন, ব্যাংক খাতের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো সুশাসনের ব্যর্থতা। সরকার ও প্রভাবশালী ব্যক্তি বা পরিবারের নির্দেশে ঋণ দেওয়া হয়েছে।
আহসান এইচ মনসুর বলেন, ব্যাংক খাতের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো সুশাসনের ব্যর্থতা। সরকার ও প্রভাবশালী ব্যক্তি বা পরিবারের নির্দেশে ঋণ দেওয়া হয়েছে।
আয়োজক দেশের ঘরোয়া রাজনীতির কারণে ক্রিকেটের শ্বাসরোধ হয়ে মরার দশা হচ্ছে কি না। প্রশ্ন উঠছে, ক্রিকেটের রাজনীতিকীকরণ করতে গিয়ে ভারত কি নিজের পায়েই কুড়াল মারছে?
মিত্রদেশের ভূমি দখলের হুমকি থেকে শুরু করে ন্যাটোকে উপেক্ষা-নিয়ম ভাঙার খেলায় মেতেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বাড়ছে শঙ্কা, দিশেহারা মিত্ররা।
নেইমার শুধু বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্নই দেখছেন না, তিনি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন—ব্রাজিল এবার হেক্সা জিতবে।
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে। গ্রুপ ‘সি’তে বাংলাদেশের সঙ্গে আছে ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নেপাল ও ইতালি।
বিসিবি–সংশ্লিষ্ট কেউই এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে চাইছেন না। তবে সূত্রের খবর, বিসিবিকে আইসিসর সময় বেঁধে দেওয়ার আসলে কিছু নেই।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গতি কমেছে। প্রবৃদ্ধি কমেছে, মূল্যস্ফীতি অনেক দিন ধরে উচ্চপর্যায়ে রয়েছে এবং ব্যাংক খাত খেলাপি ঋণের ভারে জর্জরিত হয়ে আছে। বেসরকারি ও বিদেশি বিনিয়োগ কম, সরকারি বিনিয়োগ অনেক ক্ষেত্রে অদক্ষ ও অপচয়মুখী, সরকারি ঋণ বেড়েছে, মানুষের প্রকৃত আয় কমছে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি অনেক কমে গেছে। এসব কারণে অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি চাপ তৈরি হয়েছে।
আপিল শুনানির শেষ দিনে ঋণ খেলাপি এবং দ্বৈত নাগরিকত্ব–সংক্রান্ত বিষয়ে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীর মনোনয়ন নিয়ে রায়ের দিন ধার্য ছিল।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমের খবর, বাংলাদেশের ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে সমর্থন জানিয়েছে দেশটির সরকার। প্রয়োজনে বিশ্বকাপ খেলার সিদ্ধান্তও নাকি পুনর্বিবেচনা করবে তারা।
প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বৈধ বা অবৈধ ঘোষণার ক্ষেত্রে ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) পক্ষপাতিত্ব করছে বলে অভিযোগ করেছে জামায়াতে ইসলামী।
প্রার্থিতা-সংক্রান্ত আপিলের শুনানিতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রায় প্রত্যেক দ্বৈত নাগরিক ও ঋণখেলাপিকে ছাড় দিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বৈধতা দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
এরই মধ্যে ৯টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ ৯৯ শতাংশ পর্যন্ত।