
সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় ইরান
ইরানের সশস্ত্র বাহিনী বর্তমানে পূর্ণ প্রতিরক্ষা ও সামরিক প্রস্তুতিতে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান আমির হাতামি।

ইরানের সশস্ত্র বাহিনী বর্তমানে পূর্ণ প্রতিরক্ষা ও সামরিক প্রস্তুতিতে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান আমির হাতামি।

হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত বন্দর আব্বাস ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কনটেইনার বন্দর।

মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, বিদেশি শক্তিগুলো ইরানের সমস্যাগুলোর সুযোগ নিয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল শুক্রবার বলেছেন, ইরান মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের মুখোমুখি না হয়ে বরং আলোচনার মাধ্যমে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চাইবে বলে তিনি আশা করছেন।

তুরস্ক সফরকালে সাংবাদিকদের আরাগচি বলেন, ‘আলোচনায় বসতে ইরানের কোনো সমস্যা নেই। তবে হুমকির ছায়াতলে কোনো আলোচনা হতে পারে না।’ মেটা– যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘ন্যায়সংগত ও সমতাভিত্তিক’ আলোচনায় ইরান প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান ট্রাম্প ও পেজেশকিয়ানের মধ্যে একটি ভিডিও কনফারেন্সের প্রস্তাব দিয়েছেন।

‘বিদেশি সরকার কিংবা আন্তর্জাতিক চাপের কাছে আমরা মাথা নত করব না’—১৯৫১ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে দাঁড়িয়ে এই সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছিলেন ইরানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক। সাত দশকের বেশি সময় পেরিয়ে আজ, যখন একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরির বহর ভারত মহাসাগরে প্রবেশ করছে এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে মিসাইলবাহী জাহাজ, তখন মোসাদ্দেকের সেই কথা ইতিহাসের উদ্ধৃতি নয়, বরং চলমান বাস্তবতার ভাষ্য বলে মনে হয়।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের উদ্যোগে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইরান বলেছে, যেকোনো হামলার জবাবে তারা সরাসরি মার্কিন ঘাঁটি ও যুদ্ধজাহাজে হামলা চালাবে।

ইরানে অভিযানের প্রয়োজন পড়বে না: ট্রাম্পের আশা

পারমাণবিক শক্তিচালিত বিশাল বিমানবাহী রণতরি ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ বর্তমানে আরব সাগরে মোতায়েন করা হয়েছে। গত কয়েক দিনে যুক্তরাষ্ট্র যেসব সামরিক সরঞ্জাম ওই এলাকায় পাঠিয়েছে, এটি তার মধ্যে একটি।

ইরানে হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র, কয়েক দিন ধরেই এমন জল্পনা-কল্পনা চলছে।

সৌদি আরব, মিসর, ওমান ও কাতার ইরানে সামরিক হামলার বিরোধিতা করছে। তারা বড় ধরনের আঞ্চলিক যুদ্ধের আশঙ্কা করছে।