
মার্কিন নাগরিকদের ‘অবিলম্বে ইরান ছাড়ার’ নির্দেশ ট্রাম্প প্রশাসনের
তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র তার নাগরিকদের অবিলম্বে ইরান ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে।

তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র তার নাগরিকদের অবিলম্বে ইরান ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে।

বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, আলোচনার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর কৌশল এখনো স্পষ্ট নয়।

সাম্প্রতিক দিনগুলোয় আলোচনার পরিধি ও স্থান নিয়ে মতভেদের কারণে বৈঠকটি হওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছিল।

ইরানে সাম্প্রতিক অস্থিরতা শাসনব্যবস্থার কোনো পরিবর্তন ঘটায়নি। আবার সেখানে ভেনেজুয়েলার মতো কোনো অভ্যুত্থানের পথও তৈরি করেনি।

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে তেহরানকে আলোচনায় বসতে চাপ দিচ্ছেন ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা আরব সাগরে একটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করেছে।

ইরানিরা মানসিক চাপ সামলাতে নিজেদের শান্ত রাখার চেষ্টা করছেন। কিন্তু সবার মনেই একটা প্রশ্ন বারবার উঁকি দিচ্ছে: যুদ্ধ শুরু হলে কী হবে?

ইরানের বিক্ষোভকে দেশটির সরকার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের উসকানি হিসেবে দেখছে।

প্রায় ১২ হাজার ৬০০ ডলারের বিনিময়ে এরফান সোলতানিকে জামিন দেওয়া হয়েছে বলেও জানান আইনজীবী আমির।

ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক বিষয়ে একটি চুক্তি করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।

তবে প্রস্তাবিত সেই আলোচনার রূপরেখা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি আলী লারিজানি।

ইরানের সশস্ত্র বাহিনী বর্তমানে পূর্ণ প্রতিরক্ষা ও সামরিক প্রস্তুতিতে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান আমির হাতামি।