ইরানে কয়েক সপ্তাহ হামলা চালানোর মতো প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন বাহিনী
পেন্টাগন মধ্যপ্রাচ্যে আরও একটি বিমানবাহী রণতরি পাঠাচ্ছে
পেন্টাগন মধ্যপ্রাচ্যে আরও একটি বিমানবাহী রণতরি পাঠাচ্ছে
মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরি পাঠানোর ঘোষণার মধ্যেই ট্রাম্প এমন মন্তব্য করলেন।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের একটি রণতরির বহর মোতায়েন করা রয়েছে।
গত জানুয়ারি থেকে ট্রাম্প ইরানের ওপর চাপ আরও বৃদ্ধি করেছেন।
আল–জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আব্বাস আরাগচি এ কথা বলেন।
ট্রাম্প এখনো ওই নির্বাহী আদেশ নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, আলোচনার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর কৌশল এখনো স্পষ্ট নয়।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা আরব সাগরে একটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করেছে।
ইরানিরা মানসিক চাপ সামলাতে নিজেদের শান্ত রাখার চেষ্টা করছেন। কিন্তু সবার মনেই একটা প্রশ্ন বারবার উঁকি দিচ্ছে: যুদ্ধ শুরু হলে কী হবে?
ইরানের বিক্ষোভকে দেশটির সরকার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের উসকানি হিসেবে দেখছে।
মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, বিদেশি শক্তিগুলো ইরানের সমস্যাগুলোর সুযোগ নিয়েছে।
‘বিদেশি সরকার কিংবা আন্তর্জাতিক চাপের কাছে আমরা মাথা নত করব না’—১৯৫১ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে দাঁড়িয়ে এই সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছিলেন ইরানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক। সাত দশকের বেশি সময় পেরিয়ে আজ, যখন একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরির বহর ভারত মহাসাগরে প্রবেশ করছে এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে মিসাইলবাহী জাহাজ, তখন মোসাদ্দেকের সেই কথা ইতিহাসের উদ্ধৃতি নয়, বরং চলমান বাস্তবতার ভাষ্য বলে মনে হয়।