বিশাল বাজেট, রাজস্ব ঘাটতি ও লক্ষ্য অর্জনের পরীক্ষা
বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী ১১ জুন জাতীয় সংসদে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করেছেন।
বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী ১১ জুন জাতীয় সংসদে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করেছেন।
কয়েক সপ্তাহ ধরে ইউক্রেনের হামলা তীব্র হওয়ার পর গতকাল শুক্রবার এমন মন্তব্য করেছেন পুতিন।
মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, চুক্তির আওতায় ইরান অর্থনৈতিক সুবিধা পাবে কি না, তা নির্ভর করবে দেশটি তার প্রতিশ্রুতি কতটা পূরণ করছে তার ওপর।
একটি দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির দৃশ্যমান রূপ যদি তার নদী, উর্বর কৃষিজমি এবং জীববৈচিত্র্যকে ধ্বংস করে অর্জিত হয়, তবে তাকে কোনোভাবেই টেকসই উন্নয়ন বলা যায় না।
ইসলামি অর্থনীতিতে সম্পদকে স্রেফ ব্যক্তিমালিকানাধীন বা রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি মনে করা হয় না; বরং একে আল্লাহর দেওয়া একটি পবিত্র ‘আমানত’ হিসেবে গণ্য করা হয়।
এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের অর্থায়নে এ প্রকল্পে ব্যয় হবে ১২ হাজার ৪৪২ কোটি টাকা। প্রকল্পের কাজ ২০৩১ সালের ৩০ জুনের মধ্যে শেষ হবে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, অভাব থাকলে দুর্নীতির আশ্রয় নেওয়ার একটা প্রবণতা থাকে। ১১ বছর ধরে নতুন বেতনকাঠামো হয়নি। অথচ নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। এগুলোকে তো ‘অ্যাড্রেস’ করতে হবে, তাই না?
বাংলাদেশের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের আকার ঘোষণা করা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।
বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানিসংকট ও বিনিয়োগ স্থবিরতার মধ্যে অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে সরকার যেসব সংস্কারমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা প্রশংসনীয়।
সংগঠনটির আশঙ্কা, রাজস্ব আদায়ে চাপ বাড়লে করদাতারা হয়রানির শিকার হতে পারেন এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যেতে পারে।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের পরিবারের জন্য আবাসনের জন্য দুটি পৃথক চলমান প্রকল্পে এ বরাদ্দের প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।
আগামী ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আয়–ব্যয় কীভাবে হবে, তা একঝলকে দেখে নেওয়া যাক।