
৩৬ বছর পর টাঙ্গাইল সদর থেকে প্রতিমন্ত্রী হলেন সুলতান সালাউদ্দিন, আনন্দমিছিল
টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মঙ্গলবার বিকেলে শপথ নিয়েছেন।

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মঙ্গলবার বিকেলে শপথ নিয়েছেন।

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য জোনায়েদ সাকি।

পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে পরিচিত সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েই মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে অন্য মন্ত্রীদের সঙ্গে তিনি শপথ নিয়েছেন।

ময়মনসিংহ জেলা থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রিপরিষদে জায়গা পেলেন এম ইকবাল হোসেইন ও ইয়াসের খান চৌধুরী।

গণভোটে সমর্থন পাওয়া মানেই প্রতিটি প্রস্তাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হয়ে যাবে, এমন নয়। বিশেষ করে যখন প্রস্তাবগুলো বহুবিধ এবং জটিল। সংবিধান সংশোধনের জন্য সংসদে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লার ১১টি সংসদীয় আসনের মধ্যে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের জাকারিয়া তাহের (সুমন)। এবার মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছেন জাকারিয়া তাহের।

পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে তিনি শপথ গ্রহণ করেন।

শফিকুর রহমান বিরোধীদলীয় নেতা, তাহের উপনেতা

নতুন সরকারের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য এম রশিদুজ্জামান (মিল্লাত)।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আর সেই সরকারের মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন জয়পুরহাট-২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আব্দুল বারী।

বাবার পথ ধরে বিএনপির সরকারে স্থান পেলেন মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। নতুন সরকারে প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন তিনি। তাঁর বাবা মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন ২০০১ সালে খালেদা জিয়ার সরকারে প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।

বিএনপির নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি। শপথ না নেওয়ার মাধ্যমে জটিলতা তৈরি হলো।