হাজিকে অর্থ দিয়ে দোয়া চাওয়া: ইসলামের নির্দেশনা কী?
হাজিদের কাছে দোয়া চেয়ে তাঁদের খরচে অর্থ দেওয়া সমাজে প্রচলিত। শরিয়তে এটি হাদিয়া বা সদকা হিসেবে জায়েজ, তবে চুক্তিভিত্তিক ব্যবসা নয়। ইসলাম এতে মুসলিম ভ্রাতৃত্বের নিদর্শন দেখে।
হাজিদের কাছে দোয়া চেয়ে তাঁদের খরচে অর্থ দেওয়া সমাজে প্রচলিত। শরিয়তে এটি হাদিয়া বা সদকা হিসেবে জায়েজ, তবে চুক্তিভিত্তিক ব্যবসা নয়। ইসলাম এতে মুসলিম ভ্রাতৃত্বের নিদর্শন দেখে।
পানির সংকটে বর্জ্য পানি পরিশোধন করে ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে। শরিয়তে এই ‘পরিশোধিত পানি’ দিয়ে অজু-গোসল বা পানাহারের বিধান কী? ফকিহদের মতামত ও শর্তসমূহ জানুন।
শাওয়াল মাস থেকেই হজের আনুষ্ঠানিক মানসিক শারীরিক ও আর্থিক প্রস্তুতি শুরু হয়। কারণ, এই মাস হজের তিনটি মাসের (শাওয়াল, জিলকদ ও জিলহজ) প্রথম মাস।
২০২৬ সালের হজের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে অনেক আগেই—২০২৫ সালের ৮ জুন থেকে।
সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের হজযাত্রীদের চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করার শেষ সময় ছিল ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর।
কয়েকটা দিন ভালোই ছিলাম, জানতে চাইনি পৃথিবী কেমন চলছে। দেশ আর বিশ্বের রাজনৈতিক পটভূমি কিছুই মনে আসেনি। কাবা শরিফে কয়েকজন আরব ডেকে ইংরেজিতে জিজ্ঞেস করেছিল, ‘কোথা থেকে এসেছেন?’ উত্তর দিয়ে পাল্টা প্রশ্ন করলাম, ‘তোমরা?’ উত্তর, ‘ইরান।’ অজান্তেই বলেছিলাম, ‘তোমরা সাহসী, তোমাদের সাহস সুপারসনিক মিসাইলগুলোর মতো চমৎকার।’ ওরা খুশি হয়েছিল কি না বোঝা যায়নি।
খাওয়ার সময় এক যুবক সালাম দিয়ে ইংরেজিতে জানাল, ইয়েমেন থেকে মাসহ ওমরাহয় এসেছে। তাদের সব চুরি হয়েছে। দেশে ফিরে যেতে পারছে না। একটা চিকেন খেতে দিয়ে অর্থিক সাহায্যে অপারগতা প্রকাশ করলাম। তৎক্ষণাৎ সে চলে গেল। পরে জানলাম, একশ্রেণির মানুষের এটা ব্যবসা। মন খারাপ হলো।
হোটেলের প্রবেশমুখে এখনো আস্তানা গেড়েছে বেশ কিছু বিড়াল, সংখ্যায় পনেরো-বিশের কম হবে না। কোন মানুষ হেঁটে যাওয়ার সময় করুণ গলায় মিও মিও করছে, দেখলে মায়া লাগে। এত দিন হোটেলের উচ্ছিষ্ট খেয়ে তাদের চলে যেত, এখন হয়তো মঙ্গা ভর করেছে তাদের পৃথিবীজুড়ে।
ক্লক টাওয়ার একবার ডানে হারায়, একবার বাঁয়ে হারায়। এভাবে লুকোচুরি খেলতে খেলতে আমাদের গাড়ি পৌঁছে গেল নির্দিষ্ট গন্তব্যে। আমাদের হোটেল ঠিক করা আছে ইব্রাহিম খলিল রোডের কবুতর মাঠের সামনে।
নবীজি (সা.)-এর যুগে মারওয়ায় কোরবানি হতো না; বরং মিনায় কোরবানি হতো, যা মক্কা থেকে তিন মাইল দূরত্বে অবস্থিত। তথাপি তিনি মারওয়াকে কোরবানির স্থান বলেছেন।
মসজিদে নববির আজান শ্রুতিমধুর, নামাজের কিরাত পাঠ অসাধারণ কোনো সুর। এখানের কোনায় কোনায় যেন শান্তির বীজ রোপণ করা আছে। কী অদ্ভুত মুগ্ধতা যেন ছড়িয়ে–ছিটিয়ে রাখা আছে এ জায়গার জল, মাটি, আকাশ আর বাতাসে। এই অনুভূতি আমার কাছে নতুন, আমি এই পরিস্থিতির কাছে অপরিচিত এবং এই বৈচিত্র্যে আমি অনভ্যস্ত বলে এই পরিবেশ আমার কাছে কখনো অদ্ভুত, কখনো আশ্চর্য।
মসজিদে নববিতে ৩০১ আর ৩৩০ নম্বর গেটের পাশে পাসপোর্ট আর ভিসার রেকর্ড রেখে বিনা মূল্যে হুইলচেয়ার দেওয়া হয়। আমি আর আমার স্ত্রী রুনা আসরের নামাজ শেষে ৩৩০ নম্বর গেটে গিয়ে একটি হুইলচেয়ার নিলাম।