নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন সিপিবির ৬৩ প্রার্থী, শহীদ মিনার থেকে প্রচার শুরু আগামীকাল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) ৬৩ জন প্রার্থী লড়াই করবেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) ৬৩ জন প্রার্থী লড়াই করবেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র চলছে বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) নেতারা। গণভোট নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।
আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে শেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ছিল ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি, যা ছিল তাদের আগের দুটি নির্বাচনের চেয়েও অভিনব।
গণ-অভ্যুত্থান-উত্তর বাংলাদেশে এবারের নির্বাচনে ভোটের পুরোনো হিসাব–নিকাশও বদলে যাওয়ার ইঙ্গিত দেখতে পাওয়ার কথা জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া।
জামায়াতে ইসলামীসহ সমমনা আটটি ইসলামি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে নির্বাচন।
আজ শুক্রবার বিকেলে সিলেট প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভারস আইজাবস।
গতকাল সোমবার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডির টিআইবি কার্যালয়ে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া ও হলফনামাভিত্তিক পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে টিআইবি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ‘মাদকের আড্ডাখানা ও বেশ্যাখানা’ ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মো. শামীম আহসান।
নির্বাচন কমিশন বিএনপি এবং জামায়াতের দিকে ঝুঁকে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সংগঠক হাসিব আল ইসলাম।
নতুন মন্ত্রিপরিষদ ও নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান সরাসরি দেখতে দেশের নানা প্রান্ত থেকে মানুষ এসেছিলেন রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে।
নাশকতা, সহিংসতা ও কেন্দ্র দখল ঠেকাতে কঠোর ডিজিটাল নজরদারি। থাকবে ডগ স্কোয়াড, ড্রোন ও সিসিটিভি ক্যামেরা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার ২২ জানুয়ারি শুরু হয়েছে।