
সম্পদের ধারণা বদলেছে, বদলে যাক ওয়াক্ফের ধারণাও
একটি আবাসিক ভবন ওয়াকফ করার পরিবর্তে আপনি জীবন রক্ষাকারী কোনো ওষুধের ‘পেটেন্ট’ বা স্বত্ব ওয়াকফ করেন যা লাখো মানুষের প্রাণ বাঁচাবে।

একটি আবাসিক ভবন ওয়াকফ করার পরিবর্তে আপনি জীবন রক্ষাকারী কোনো ওষুধের ‘পেটেন্ট’ বা স্বত্ব ওয়াকফ করেন যা লাখো মানুষের প্রাণ বাঁচাবে।

কাশ্মীরে যা ঘটছে, তা আসলে বর্জন ও ভয়ের রাজনীতির ওপর দাঁড়িয়ে থাকা হিন্দুত্ববাদী প্রকল্পেরই স্বাভাবিক পরিণতি। যারা আগে থেকেই অবিরাম অবরোধ ও নজরদারির মধ্যে বসবাস করছে, সেই মুসলমানদের এখন আরও বেশি প্রান্তে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। ধর্মের ভিত্তিতে তাদের সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বাদ দেওয়া হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের মুসলমানদের ভবিষ্যৎ আশাব্যঞ্জক মনে হয় না।

দীর্ঘ ২০০ বছরের বেশি সময় এই দ্বীপ মুসলিম শাসনের অধীন ছিল, যা কেবল সামরিক বিজয় নয়, বরং জ্ঞানবিজ্ঞান ও সংস্কৃতির এক অনন্য মিলনস্থলে পরিণত হয়েছিল।

ইউরোপীয় মানসে মুসলমানদের প্রায়ই ‘আগন্তুক’ বা ‘বহিরাগত’ হিসেবে দেখা হয়। সাংবাদিক ও ভ্রমণলেখক তারিক হুসাইনের নতুন বই এই ধারণাকে চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করিয়েছেন।

ইবনে জুবায়ের তাঁর ভ্রমণকাহিনিতে লেবাননের পাহাড় অঞ্চলের খ্রিষ্টানদের সম্পর্কে লিখেছেন, তাঁরা সেখানে নির্জনে ইবাদত করা মুসলিম দরবেশদের জন্য খাবার নিয়ে আসতেন।

আমাদের মসজিদগুলো কি কিশোর ও তরুণদের জন্য যথেষ্ট বন্ধুত্বপূর্ণ? তারা কি মসজিদে আসতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে, নাকি সেখানে বড়দের ‘চুপচাপ থাকার’ নির্দেশ তাদের নিরুৎসাহিত করছে?

ককেশাস অঞ্চলের মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে মস্কোর বর্তমান যে সামরিক সমীকরণ, যার প্রতিচ্ছবি আমরা ইউক্রেন যুদ্ধে চেচেন যোদ্ধাদের অংশগ্রহণ থেকে দেখতে পাই, তার বীজ আছে ইতিহাসে।

ইসলাম কেবল পার্থিব চিকিৎসার ওপর গুরুত্ব দেয়নি; বরং আধ্যাত্মিক আরোগ্যের অনন্য পদ্ধতি শিখিয়েছে, যাকে বলা হয় ‘রুক্ইয়া’। এটি কোনো জাদুকরি প্রক্রিয়া নয়; বরং ইবাদত।

বৈষ্ণদেবী ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল এক্সেলেন্সের স্বীকৃতি বাতিল করায় জম্মু–কাশ্মীরের রাজনৈতিক অঙ্গনে ক্ষোভ।

হিন্দু-মুসলিম বিতর্ক এড়াতে জম্মুর মেডিকেল কলেজের স্বীকৃতিই বাতিল করে দিল ন্যাশনাল মেডিকেল কাউন্সিল (এনএমসি)।

দিল্লি দাঙ্গায় ৫৩ জন নিহত হন। তাঁদের মধ্যে ৪০ জন মুসলমান ও ১৩ জন হিন্দু।