গর্ভকালীন দাঁতের চিকিৎসায় যেসব বিষয় অবশ্যই মনে রাখবেন
গর্ভাবস্থায় দাঁতের চিকিৎসার সঠিক সময় ও ওষুধ নির্বাচন অতি গুরুত্বপূর্ণ। হরমোন ও খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনের কারণে এই সময়ে দাঁতের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়।
গর্ভাবস্থায় দাঁতের চিকিৎসার সঠিক সময় ও ওষুধ নির্বাচন অতি গুরুত্বপূর্ণ। হরমোন ও খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনের কারণে এই সময়ে দাঁতের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়।
পায়ুপথের প্রধান রোগগুলোর মধ্যে পাইলস (অর্শ), অ্যানাল ফিসার (গেজ) ও ফিস্টুলা (ভগন্দর বা নালি ঘা) অন্যতম। এসব রোগের মূল কারণ হলো কোষ্ঠকাঠিন্য ও মলত্যাগে অতিরিক্ত চাপ দেওয়া ইত্যাদি।
শিশুর শরীর সামান্য গরম মনে হলেই অনেক মা-বাবা উদ্বিগ্ন হন। তাড়াহুড়ো করে প্যারাসিটামল খাওয়ানো শুরু করেন।
যখন চর্বির পরিমাণ বেড়ে লিভারের ওজনের ৫-১০ শতাংশের বেশি হয়ে যায়, তখন এটিকে ফ্যাটি লিভার ডিজিজ হিসেবে ধরা হয়।
প্রতিটি আসনে, প্রাণায়ামে বা মেডিটেশনে ফোকাসের জায়গা আলাদা হয়। সে অনুযায়ী মনোযোগ ধরে রাখতে পারলে উপকার বেশি পাওয়া যায়।
জন্মগতভাবে শিশুর হৃৎপিণ্ডের সমস্যা থাকলে শিশু একটু বেশি ঘামে। শ্বাসযন্ত্রে যদি কোনো রকম সংক্রমণ ঘটে, সে ক্ষেত্রে শিশুর অতিরিক্ত ঘাম দেখা দিতে পারে।
এ দেশে বহু নারী থাইরয়েডের সমস্যায় ভোগেন। অনেকের বেলাতেই বিয়ের পর এই সমস্যা ধরা পড়ে। কেন এমনটা ঘটে?
হাঁটুতে দীর্ঘদিনের ব্যথা, ফোলা ও চলাফেরায় কষ্টের কারণ সাধারণত অস্টিওআর্থ্রাইটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, হাড়ের বিকৃতি বা কোনো দুর্ঘটনাজনিত আঘাত।
উৎসব, বিয়েসহ নানা উপলক্ষে বেশির ভাগ মেয়ের পছন্দ হাত মেহেদিতে রাঙানো। একসময় মেহেদিগাছের পাতা বেটে হাতে লাগানোর প্রচলন ছিল।
আমাদের গায়ের রং, চুল কিংবা চোখের রং সাধারণত নির্ধারিত হয় মেলানিন নামের একটি রঞ্জকের মাধ্যমে।
কারও মনে অভিযোগ জন্মে যে সঙ্গী তাঁকে আগের মতো সময় দেন না। এসব কারণেও সম্পর্কে বিরক্তি চলে আসতে পারে।
দেশে হামের প্রকোপ এখনো রয়েছে। হামে আক্রান্ত শিশুকে নিয়ে হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ছুটছেন অভিভাবকেরা।