শ্রীলঙ্কায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন অভিনেত্রী সারিকা, দেখুন ৯টি ছবি
ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সারিকা সাবা শ্রীলঙ্কায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। ছবিতে দেখে নিন এই দ্বীপরাষ্ট্রটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও তাঁর অবকাশযাপনের নানা মুহূর্ত—
ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সারিকা সাবা শ্রীলঙ্কায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। ছবিতে দেখে নিন এই দ্বীপরাষ্ট্রটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও তাঁর অবকাশযাপনের নানা মুহূর্ত—
প্রকৃতিতে শীতের আগমন ধ্বনি। এমন সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের দক্ষিণ সীমান্তের পাহাড়ি এলাকা জরিপ করার দায়িত্ব পড়ল জেলা প্রশাসক (ডিসি) থমাস হারবার্ট লুইনের কাঁধে। ব্রিটিশ সরকারের দেওয়া দায়িত্ব পালনে নভেম্বরের শেষ দিকে প্রায় ৯০ জনের একটি দল নিয়ে রওনা হন অজানা পাহাড়ি অঞ্চলের দিকে। উদ্দেশ্য ছিল নতুন আবিষ্কৃত এলাকার মানচিত্র তৈরি।
হাতির আগমন ঠেকাতে বৈদ্যুতিক ফাঁদ তৈরি, স্থানীয় লোকজনের বাধা এবং আইনগত জটিলতা তুলে ধরা হয়েছে।
‘পৃথিবীর পঞ্চম উচ্চতম শৃঙ্গ মাউন্ট মাকালুর উচ্চতা ৮ হাজার ৪৮৫ মিটার। তবে পর্বতের সবচেয়ে কঠিন অংশটি হলো ৬ হাজার ৪০০ থেকে ৭ হাজার ৬০০ মিটার উচ্চতার মধ্যবর্তী পথ। এই বিপজ্জনক পথ পাড়ি দিতে গিয়ে প্রতিটি মুহূর্তই ছিল জীবন ঝুঁকির। আমি তখন ৭ হাজার মিটার ওপরে। বাতাস বইছিল দ্রুতগতিতে, হাড় জমিয়ে দিচ্ছিল ঠান্ডা।’
বনযাত্রায় আমাদের সঙ্গী জুমচাষি কল্পরঞ্জন চাকমার বরাতে জানতে পারি, এ ঝরনার পানি আসছে পাহাড়ের বন থেকে।
‘জমির ধান গেল পানিতে, এখন খলার (কাটার পর স্তূপ করে রাখা) ধান নষ্ট অইযায় রইদের ( রোদ) অভাবে।’
ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি উজান থেকে আসা ঢলে সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, মৌলভীবাজার ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হাওরাঞ্চলে বিস্তৃত এলাকার ধানখেত তলিয়ে গেছে।
ভিয়েতনামে এক কলেজশিক্ষার্থী বন্ধুদের সঙ্গে পাহাড়ে হাইকিংয়ে বেরিয়েছিলেন।
শেরপুরের শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী—সীমান্তবর্তী এই তিন উপজেলার গারো পাহাড়ের ঢালে এখন এক অপূর্ব দৃশ্য।
দুর্যোগের আগে মানুষের কাছে নগদ অর্থসহায়তা পৌঁছে দিতে পারলে জানমালের সামগ্রিক ক্ষয়ক্ষতি অনেক কমিয়ে আনা সম্ভব।
শেরপুরের গারো পাহাড়সংলগ্ন সীমান্তবর্তী তিন উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় এখন দিগন্তজোড়া সবুজের মুগ্ধতা। চোখ যত দূর যায়, তত দূর ধানের খেত—কোথাও গাঢ় সবুজ, কোথাও হালকা সবুজ, আবার কোথাও সোনালি আভা।
খাগড়াছড়িতে ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের বৈসু উৎসব শুরু হয়েছে। প্রথম দিন ভোরে নদী-ছড়ায় ফুল ও হাতে বোনা কাপড় ভাসিয়ে দেবী গঙ্গার উদ্দেশে প্রার্থনা করেছেন নারীরা। তিন দিনব্যাপী উৎসবে পুরোনো বছরের দুঃখ ভুলে নতুন বছরে সুখ কামনা করছেন তাঁরা।