১১–দলীয় ঐক্য নিয়ে এখন এনসিপিতে কী চিন্তা
জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির নির্বাচনী ঐক্য আর কত দিন থাকবে—এ প্রশ্ন করেছিলেন এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন দলীয় সভায়।
জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির নির্বাচনী ঐক্য আর কত দিন থাকবে—এ প্রশ্ন করেছিলেন এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন দলীয় সভায়।
প্রথমবার নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্যে ১৪৮ জন বিএনপির। জামায়াতে ইসলামীর ৬৩ জন।
প্রচার শুরু ২২ জানুয়ারি। এর আগেই বিধি ভঙ্গ করে সারা দেশে ভোটের প্রচারে নেমে পড়েছেন অনেক প্রার্থী।
গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ৯টায় দেবীদ্বার উপজেলার এলাহাবাদ ইউনিয়ন নির্বাচন কার্যালয়ে জিওপি প্রার্থী মো. আ. জসীম উদ্দিনের পক্ষে তাঁর সমর্থকেরা এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।
স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে দুই ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে এনসিপি।
ইসলামপন্থীরা সবচেয়ে কম আসন পায় ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে। ২০১৪ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন দুটি ইসলামপন্থী বড় দলগুলো বর্জন করে।
আসন সমঝোতার বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত করতে পারেনি জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ ১১ দল।
গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বড় কর্মসূচির দিকে এগোচ্ছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য। গণমিছিল, সেমিনার ও লিফলেট বিলির পর বিভাগীয় শহরগুলোয় সমাবেশের পর রাজধানীতে মহাসমাবেশ করতে চাইছে তারা। এর উদ্দেশ্য ক্ষমতাসীনদের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়ানো।
এনসিপির প্রার্থীদের মধ্যে দুজন নারী। আর সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রার্থী আছেন একজন।
জামায়াতসহ ১১ দলের সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতায় যুক্ত হওয়াকে কেন্দ্র করে নেতারা পদত্যাগ করেন। কারও পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়নি।
জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ভারতে বসে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি হিসেবে অভিহিত করেছেন।
বিএনপিসহ প্রায় সব দলই সংসদ দ্বিকক্ষবিশিষ্ট করার বিষয়ে একমত। বিএনপির দলীয় ৩১ দফাতেও এই প্রতিশ্রুতি আছে। কিন্তু উচ্চকক্ষের গঠনপদ্ধতি ও ক্ষমতা নিয়ে রাজনৈতিক মতপার্থক্য আছে।