
'সমঝোতার শেষ সুযোগ' নিয়ে যা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান
খামেনির রাজনৈতিক শক্তি টিকে আছে এমন এক আদর্শিক ভিত্তির ওপর, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধিতা একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান

খামেনির রাজনৈতিক শক্তি টিকে আছে এমন এক আদর্শিক ভিত্তির ওপর, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধিতা একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান

মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরি পাঠানোর ঘোষণার মধ্যেই ট্রাম্প এমন মন্তব্য করলেন।

ইরানি বিপ্লব দেশটিতে বড় ধরনের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তন নিয়ে আসে।

সাম্প্রতিক দিনগুলোয় আলোচনার পরিধি ও স্থান নিয়ে মতভেদের কারণে বৈঠকটি হওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছিল।

ইরানে বিক্ষোভ: হাজারো মানুষকে হত্যা করল কারা

গত বছরের শেষ দিকে ইরানের একাধিক শহরে বিক্ষোভ শুরু হয়। অর্থনৈতিক চাপ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানিসংকট এবং গত জুনে হওয়া ১২ দিনের যুদ্ধের পর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্লান্তির সমন্বয়ে মানুষ ফুঁসে ওঠে।

ইরানের ব্যবস্থার মূল ভিত্তি হলো, এর অভ্যন্তরীণ কঠোর সংহতি।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি বা শীর্ষ কর্মকর্তাদের হত্যার উদ্দেশে অভিযান চালালেও এ শাসনব্যবস্থার পতন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না।

গত এক সপ্তাহে এমন কিছু উদ্ভট বামপন্থীকে খুঁজে পাওয়া কঠিন ছিল না, যারা ইরানের প্রতিবাদকারীদের সাম্রাজ্যবাদের অসহায় হাতিয়ার বলে আখ্যা দেয়। এদের কেউ কেউ আবার নিকোলা মাদুরো যে স্বৈরশাসক, সেটা স্বীকার করতে চায় না। তারা খামেনি বা মাদুরোর প্রশংসা না করলেও তাদের শাসনব্যবস্থার পতনও চায় না।

ইরান এখন যে পথে হাঁটছে, সেই পথে এর আগেও অনেকবার হেঁটেছে দেশটি। প্রায় ৪০ বছর ধরে দেশটির রাজপথগুলো মানুষের ক্ষোভ, আর্তচিৎকার আর হঠাৎ নেমে আসা নীরবতার সাক্ষী হয়ে আছে। এখানকার নাগরিকদের কাছে আন্দোলন তাই নতুন কিছু নয়।

সারা দেশে দ্রুত ইন্টারনেট চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

অর্থনৈতিক অসন্তোষ থেকে শুরু হওয়া এই ক্ষোভ দ্রুতই রাজনৈতিক অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ৮ জানুয়ারি দেশজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পরই কড়াকড়ি আরোপ করে সরকার।