ইমাম আবু হানিফা: ইসলামি আইনকে সুসংগঠিত রূপ দেওয়ার প্রতিভা
ইমাম আবু হানিফার আসল নাম নু’মান ইবনে সাবিত—এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য ইতিহাসে নানা আলোচনা রয়েছে। তাঁর উপনাম ‘আবু হানিফা’ নিয়েও কুফার ভাষায় লিখনের দোয়াত ‘হানিফা’ বলে উল্লেখ করা হয়।
ইমাম আবু হানিফার আসল নাম নু’মান ইবনে সাবিত—এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য ইতিহাসে নানা আলোচনা রয়েছে। তাঁর উপনাম ‘আবু হানিফা’ নিয়েও কুফার ভাষায় লিখনের দোয়াত ‘হানিফা’ বলে উল্লেখ করা হয়।
ইংরেজি নামের বানানে মিল থাকায় ইবনে আল-হাইসামের সঙ্গে অনেকেই আল–খাজিনিকে গুলিয়ে ফেলেন। তাঁর বহু আবিষ্কার পরবর্তী ইউরোপীয় বিজ্ঞানীদের নামে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে।
নবীজির পারিবারিক জীবন ছিল অত্যন্ত বাস্তবমুখী, প্রাণবন্ত ও ভালোবাসায় ঘেরা। তাঁর ঘর কোনো যান্ত্রিক বা আবেগহীন স্থান ছিল না; বরং তা ছিল মানবিক অনুভূতির এক জীবন্ত কেন্দ্র।
জীবনের প্রতিটি ঘটনা কি আগে থেকেই নির্ধারিত, নাকি কাজের ক্ষেত্রে আমাদের স্বাধীনতা আছে? যদি নির্ধারিত থাকে, তবে ভালো বা মন্দের জন্য মানুষকে কেন দায়ী হবে?
আমরা চেষ্টা করি যত দ্রুত সম্ভব নামাজটা পড়ে শেষ করে দায়মুক্ত হতে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, নামাজ আর ইবাদত কি সত্যিই আমাদের জন্য কোনো বোঝা?
ভৌগোলিক বা শারীরিকভাবে মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের নির্দিষ্ট সময় ও ফজিলত অতীত ইতিহাসে পূর্ণতা পেলেও, হিজরতের আত্মিক দরজা কিন্তু কেয়ামত পর্যন্ত খোলা রয়েছে।
বয়কট চলাকালীন রাতের আঁধারে উটের পিঠে খাদ্য চাপিয়ে উপত্যকার মুখে ছেড়ে দিতেন, যাতে অবরুদ্ধ মানুষগুলো খাবার পায়। কাবার প্রাঙ্গণে কোরাইশ নেতাদের প্রতিবাদ জানান।
লোকদেখানো উদ্দেশ্যমুক্ত হয়ে শুধুই আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করা। বাহ্যিকভাবে দুজন মানুষ একই কাজ করলেও নিয়তের পার্থক্যের কারণে আল্লাহর কাছে তাঁদের মর্যাদা বদলে যায়।
অকারণে জামাত ত্যাগ করা মোনাফেকের লক্ষণ। আমাদের উচিত ভয় ও ভক্তির সঙ্গে মসজিদে গিয়ে জামাতের সহিত নামাজ আদায় করা এবং পরিবারকে প্রশিক্ষণ দেওয়া।
প্রশ্নটা হলো, হাদিসের ‘দেখা’কে কি ‘চোখে দেখা’ মানতে হবে, নাকি বৈজ্ঞানিক হিসাবের মাধ্যমেও তা পূরণ হতে পারে? কেউ বলেছে, সরাসরি চাঁদ দেখা বাধ্যতামূলক।
তিনি ইতিহাসে এক ‘চিরকুমারী মুহাদ্দিসা’ হিসেবে পরিচিত। ঐতিহাসিকদের মতে, বিবাহিত জীবনের ব্যস্ততায় যেন জ্ঞানার্জনে ব্যাঘাত না ঘটে, তাই তিনি আজীবন অবিবাহিত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
সামর্থ্যের বাইরে গিয়ে ঋণে জীবন যাপন করা কোনো একক সমস্যা নয়; এটা একটার পর একটা স্তরে বাড়তে থাকা একটা ঝুঁকি, যার প্রতিটি স্তরের পরিণতি আগেরটার চেয়ে ভারী। তেমন চারটি স্তর আলোচনা হলো।