লেবাননে যুদ্ধবিরতির আহ্বান কানাডা, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, জাপানসহ ১০ দেশের
লেবাননে গত মার্চ থেকে এ পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় দুই হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
লেবাননে গত মার্চ থেকে এ পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় দুই হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের দাবি, তাদের হামলায় ৫০ জনের বেশি ইরানের শীর্ষস্থানীয় নেতা নিহত হয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় খামেনি ও পাকপুর নিহত হওয়ার পর ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পর্ষদের সেক্রেটারি আলী লারিজানি জ্বালাময়ী বক্তব্য দিয়েছেন।
হামলায় ইরানে ৩৬ বছর ধরে নেতৃত্ব দেওয়া দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় শুধু ইরানে নিহত হয়েছেন ৬ শতাধিক মানুষ। পাল্টা হামলা চালাচ্ছে ইরানও। তাতে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ।
ইরানি কর্তৃপক্ষের হিসাব অনুযায়ী, সাম্প্রতিক দিনগুলোয় মার্কিন হামলায় ইরানে অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৫০০ জনের বেশি।
ইরানে এ পর্যন্ত এক হাজারের বেশি বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন।
গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হলেও পরদিনই ইসরায়েল লেবাননে তীব্র বোমা হামলা চালায়। এতে ২৫৪ জন নিহত ও ৮০০-এর বেশি আহত। লেবানন কি এই যুদ্ধবিরতির বাইরে?
ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, শনিবার থেকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় অন্তত ৫৫৫ জন নিহত হয়েছেন।
ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে খামেনি পরিবারের একজনকেই বেছে নেওয়া হয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত হওয়া সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির উত্তরসূরি হিসেবে তাঁর ছেলে মোজতবা হোসেইনি খামেনিকে নির্বাচিত করা হয়েছে। ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনি প্রয়াত আলী খামেনির দ্বিতীয় ছেলে।
লেবাননে ১২০টির বেশি হামলায় নারী-শিশুসহ অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। নড়বড়ে হয়ে পড়েছে সাময়িক যুদ্ধবিরতি।
যুদ্ধের শুরুর দিকে দক্ষিণ ইরানের মিনাবের একটি মেয়েদের স্কুলে বোমা হামলায় ৭ থেকে ১২ বছর বয়স দেড় শতাধিক শিশু নিহত হয়।