
পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে তৃণমূলের কার্যালয়ে হামলা–ভাঙচুর
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গতকাল গণনা করা হয়। ফলাফল অনুযায়ী, বিজেপি ২০৬ আসনে জয়ী। তৃণমূল জয়ী ৮১ আসনে।

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গতকাল গণনা করা হয়। ফলাফল অনুযায়ী, বিজেপি ২০৬ আসনে জয়ী। তৃণমূল জয়ী ৮১ আসনে।

শুভ সকাল। আজ দিনের শুরুতেই পড়তে পারেন দেশ-বিদেশের আলোচিত পাঁচ খবর ও বিশ্লেষণ।

সমকালীন ভারতে আর কোনো রাজ্যের নির্বাচন এতটা উত্তেজক ছিল না—এবার ২০২৬ সালে যা হলো। পশ্চিমবঙ্গের কোনো নির্বাচনও বাংলাদেশে এত মনোযোগ কাড়েনি অতীতে। এতসব আকর্ষণের কারণ, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গ বিজয়কে মর্যাদার লড়াই বানিয়ে ফেলেছিল।

নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতা ও মন্ত্রী পরাজিত হয়েছেন

আগামী ৫ বছর পশ্চিমবঙ্গ শাসন করার স্বপ্ন এখন মমতার কাছে দুঃস্বপ্ন।

তামিলনাড়ুতে বিজয় থালাপতির চমক

নুসরাত তাবাসসুমকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট অনুমোদন করেছে ইসি।

তামিলনাড়ুতে ৪৯ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভাঙতে চলেছেন জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর।

দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় অব্যাহতি পাওয়া হাসিবুর রহমানকে ৮১ দিন পর ফরিদপুর জেলা এনসিপির আহ্বায়ক পদে পুনর্বহাল করা হয়েছে।

বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিন হলেন সাবেক মুখ্যমন্ত্রী করুণানিধির ছেলে। করুণানিধি ছিলেন তামিল সিনেমাজগতের নামকরা স্ক্রিপ্টরাইটার। তিনি পাঁচবার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। জয়ললিতা ছিলেন ২৫ বছর। রামচন্দ্র ছিলেন ১০ বছর। এ রকম হিসাব থেকেই স্পষ্ট, তামিলনাড়ুর নির্বাচনী রাজনীতি কীভাবে সেখানকার সিনেমা তারকাদের দখলে। থালাপতি পুরোনো সেই ঐতিহ্যে কেবল নিজেকে যুক্ত করতে চাইছেন। সেই সুযোগে বিজেপি চাইছে তাদের জাতীয় ও আঞ্চলিক প্রতিপক্ষের ধরাশায়ী।

বিজেপির অভ্যন্তরীণ সূত্র জয়ের পেছনে পাঁচটি প্রধান কারণ দেখিয়েছে।

সংসদ নির্বাচনে নারীদের দলীয় মনোনয়ন নিয়ে এক আলোচনা অনুষ্ঠানে ‘ট্রফি’ শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন জামায়াতে ইসলামীর মারদিয়া মমতাজ; এখন তা নিয়ে ট্রলের শিকার হচ্ছেন তিনি।