ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি যে কারণে ব্যর্থ হচ্ছে
‘আমরা সংলাপের জন্য আগ্রহী, কিন্তু কোনো অমূলক বা জবরদস্তিমূলক দাবির কাছে মাথানত করব না।’
‘আমরা সংলাপের জন্য আগ্রহী, কিন্তু কোনো অমূলক বা জবরদস্তিমূলক দাবির কাছে মাথানত করব না।’
ইসলামাবাদে প্রথম বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার পর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় দফা আলোচনা রয়েছে অনিশ্চয়তায়। মার্কিন প্রসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তেহরানের একের পর এক অপরিপক্ব ও অগোছালো বক্তব্য এ পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
ওয়াশিংটনের প্রতি অনাস্থার বিষয়টি আবার তুলে ধরে ইরানের স্পিকার বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে তেহরান বিশ্বাস করে না এবং যেকোনো মুহূর্তে আবারও লড়াই শুরু হতে পারে।
গত বছরের অক্টোবরে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর সেখানে ‘ইয়েলো লাইন’ তৈরি করে ইসরায়েল।
শুক্রবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, ইসরায়েল-লেবাননের যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর হরমুজ প্রণালি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।
ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেল নিয়ে যে সংকট তৈরি হয়, যুদ্ধবিরতি ও পরবর্তী পরিস্থিতিতেও তার আশাব্যঞ্জক অগ্রগতি হয়নি।
ইরান হরমুজ প্রণালি আবার বন্ধ করে দেওয়ায় ও যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার কারণে বৈঠক নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
যদিও ইরানের নৌবাহিনীর বড় অংশ ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করা হয়, তবু উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং সমুদ্রের মাইন এই প্রণালিকে বিপজ্জনক করে রেখেছে।
এখনো কোনো পক্ষই ভবিষ্যৎ আলোচনার দরজা পুরোপুরি বন্ধ করেনি; বরং পাকিস্তান ও মিসর পর্দার আড়ালে মধ্যস্থতার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
ভবিষ্যতের আলোচনার ক্ষেত্রেও ইরানিরা চাইলে একই ধরনের নিরাপত্তা সুরক্ষা দেওয়া হবে
ইসরায়েলের আগ্রাসনের সময় জন্ম নেওয়া গাজার অনেক শিশুর পিতৃত্ব নির্ণয় কঠিন হয়ে পড়েছে।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করা জাহাজগুলোকে অবশ্যই ইরানের পূর্বঘোষিত ‘নিরাপদ লেন’ ব্যবহার করতে হবে।