ট্রাম্পের বক্তব্যের জবাব: ‘ইরানকে বিশ্বকাপ থেকে কেউ বাদ দিতে পারবে না’
বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হওয়ার এখন আর তিন মাসও বাকি নেই। কিন্তু ইরানের বিশ্বকাপে খেলা না–খেলার অনিশ্চয়তা যেন ক্রমেই বাড়ছে।
বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হওয়ার এখন আর তিন মাসও বাকি নেই। কিন্তু ইরানের বিশ্বকাপে খেলা না–খেলার অনিশ্চয়তা যেন ক্রমেই বাড়ছে।
মধ্যপ্রাচ্যের বিশৃঙ্খলা থেকে উপসাগরীয় দেশগুলোর লাভ নেই। আরব বিশ্বেরও নেই। কিন্তু একটি রাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে মনে করে, অঞ্চলে শক্তির শূন্যতা তৈরি হলে তার আপেক্ষিক শক্তি বাড়ে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর দেশটির বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। গত সপ্তাহে আটলান্টায় ফিফার প্রস্তুতি সভায় একমাত্র ইরানই অনুপস্থিত ছিল।
ইরান যুদ্ধকে ‘পাগলামি’ আখ্যা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী পডকাস্ট সঞ্চালক জো রোগান।
মার্কিন বাহিনী কুয়েতে ইরাকের বিরুদ্ধে ‘ডেজার্ট স্টর্ম’ অভিযান চালিয়েছিল
শেষ জামানায় পৃথিবীতে বড় অস্থিরতা দেখা দেবে। এরপর ঘটবে ‘র্যাপচার’। অর্থাৎ বিশ্বাসীরা অলৌকিকভাবে স্বর্গে চলে যাবেন।
ইরানে মেয়েদের ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রই দায়ী।
ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রী আহমাদ দানিয়ামালির সাফ কথা—যাদের হাতে তাদের নেতার রক্ত লেগে আছে, সেই যুক্তরাষ্ট্রে খেলতে যাবে না ‘পার্সিয়ান লায়ন’রা।
চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি সত্ত্বেও ইরান ফুটবল দল যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারবে বলে আশা করছে ফিফা।
গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়ে আসছে ইরান।
ইরান যুদ্ধ থেকে ট্রাম্পকে দ্রুত সরে আসার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁর উপদেষ্টারা।