
নতুন সরকারের তিন অগ্রাধিকার নির্ধারণ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য ও উপদেষ্টাদের নিয়ে প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ সচিবালয়ে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য ও উপদেষ্টাদের নিয়ে প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ সচিবালয়ে।

চার দশক আগে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন হাফিজ উদ্দিন আহমদ, তার ১৫ বছর পর খালেদা জিয়ার সরকারে পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছিলেন, এবার তারেক রহমানের সরকারেও মন্ত্রী হলেন তিনি।

বাবা কে এম ওবায়দুর রহমান ছিলেন বিএনপির মহাসচিব, সেই পথ ধরে বিএনপিতে এসে এবারই প্রথম সংসদ সদস্য হলেন শামা ওবায়েদ। পাশাপাশি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পেলেন তিনি।

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যের গড় বয়স প্রায় ৬০ বছর। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বয়সী হলেন মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, তাঁর বয়স ৮১ বছর। সবচেয়ে কম বয়সী সদস্য নুরুল হক নুরের বয়স ৩১ বছর।

প্রথমবার সংসদ সদস্য হয়েই মন্ত্রী হলেন দীপেন দেওয়ান। তাঁর বাবা সুবিমল দেওয়ান রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপজাতিবিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। বিএনপির প্রার্থী হয়ে এবারের নির্বাচনে নরসিংদী-৪ (মনোহরদী-বেলাব) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

ঢাকার সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ ছাড়া মন্ত্রিসভার সদস্যরাও শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

ঢাকার সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ ছাড়া মন্ত্রিসভার সদস্যরাও শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

জুলাই অভ্যুত্থানের পর অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব পেয়েছিলেন মো. আসাদুজ্জামান, এরপর ভোটের লড়াইয়ে নেমে হন সংসদ সদস্য। প্রথমবার আইনপ্রণেতা হয়েই মন্ত্রী হলেন এই আইনজীবী।

টাঙ্গাইলে জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য পদে প্রথমবারের মতো গারো জাতিগোষ্ঠীর একজন নির্বাচিত হয়েছেন। নবনির্বাচিত এই সদস্যের নাম জন জেত্রা।

সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে বিএনপির প্রতিনিধিদের শপথ না নেওয়ার ফলে দলটির ও দেশের জন্য নতুন সূচনা যথার্থ হলো না।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর নতুন মন্ত্রিসভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ৫৫ বছরে কক্সবাজার জেলা থেকে তিনিই প্রথম পূর্ণ মন্ত্রী হলেন। তাঁর মন্ত্রী হওয়ার খবরে কক্সবাজারের বাসিন্দাদের মধ্যে উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে। তাঁর নির্বাচনী এলাকায় আনন্দমিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছেন দলীয় নেতা-কর্মীরা।