
৭৯ আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ ৯২ জন, জামায়াতের ১ জন
শুরুতে ১১৭ আসনে বিএনপির ১৯০ জনের মতো দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে প্রার্থী হয়েছিলেন। তাঁদের কারও কারও মনোনয়নপত্র বাছাইপর্বে বাতিল হয়েছে। গতকাল অনেকে প্রত্যাহারও করেছেন।

শুরুতে ১১৭ আসনে বিএনপির ১৯০ জনের মতো দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে প্রার্থী হয়েছিলেন। তাঁদের কারও কারও মনোনয়নপত্র বাছাইপর্বে বাতিল হয়েছে। গতকাল অনেকে প্রত্যাহারও করেছেন।

যশোর-৪ (অভয়নগর, বাঘারপাড়া ও সদর উপজেলার একাংশ) আসনটি বরাবরই আওয়ামী লীগের ‘ঘাঁটি’ হিসেবে পরিচিত। এই আসনে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা জয়ী হন।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে দেওয়া এক পোস্টে এ নম্বর জানানো হয়।

প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকেরা ভোটের মাঠের পাশাপাশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন।

এই সংসদীয় আসনে এবার প্রার্থী ১১ জন। তাঁদের মধ্যে দুজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন।

আজ সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির নির্বাচিতরা। তবে তাঁরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি।

ভোট দিতে চান অধিকাংশ ভোটার। ১০ আসন শরিকদের ছেড়ে দিয়েছে জামায়াত, একটি উন্মুক্ত। অর্থাৎ ৮ আসনে জামায়াতের দলীয় প্রার্থী রয়েছে।

অন্তত ৫০টি পেজ থেকে বিএনপির পক্ষে প্রচারে ব্যয় করা হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে প্রচারে ব্যয় করেছে অন্তত ৩৩টি পেজ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আন্তমন্ত্রণালয় সভায় এসব নির্দেশনা দেন বিদ্যুৎ উপদেষ্টা।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ব্যতিক্রমী ও প্রতীকী কর্মসূচির মাধ্যমে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী প্রীতম দাশ।

নির্বাচন পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। আজ সকালে বরিশাল সদর উপজেলার কর্ণকাঠি এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথাগুলো বলেন তিনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনার ছয়টি আসনের চারটিতে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা।